ঘূর্ণিঝড় ইয়াস মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’ মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এটি এখন উড়িষ্যার দিকে ধাবিত হচ্ছে, তাই আপাতত সংকেত বাড়ানোর প্রয়োজন।
আজ সোমবার (২৪ মে) সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, পুলিশ, আনসার, বিজিবি, সিপিপি’র (ঘূর্নিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি) ভলান্টিয়ারসহ মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রস্তুত আছেন। নির্দেশনার ভিত্তিতে কাজ করবেন তারা।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমান গতিবেগ অব্যাহত থাকলে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানার আশঙ্কা খুবই কম। তবে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে দেশে ঝড়োহাওয়া বয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসকে আমরা কঠোর পর্যবেক্ষণে রেখেছি। এটা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের পর্যবেক্ষণ অব্যাহত থাকবে। যদি কোনো কারণে এটি দিক পরিবর্তন করে তাহলে আমরা আমাদের জনগণকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাবো। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জনগণকেও প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড় যশের কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি সোমবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৬০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬০৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড়টি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।
এমইউআর