ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেত্রী নাসরিন স্পিকারের সঙ্গে মজিবর রহমান সরোয়ার'র সৌজন্য সাক্ষাৎ ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারকারীরা গণতন্ত্রের শত্রু: আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ এখন থেকে রাতের ভোটে কেউ জনপ্রতিনিধি হতে পারবে না: জহির উদ্দিন স্বপন বরিশালে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৭ মঠবাড়িয়ায় সাবেক সংসদ সদস্য শামিম শাহনেওয়াজের বাবা মজিবুর রহমানের দাফন সম্পন্ন ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে : ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এসআরবি’র অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের দেশ: গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জনের মধ্যেই ইশরাকের বার্তা
  • প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করা হয় শিক্ষার্থীদের

    প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করা হয় শিক্ষার্থীদের
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ঝালকাঠির রাজাপুরে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে স্কুল শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে রতন চন্দ্র বৈরাগী নামে এক স্কুলশিক্ষকের বিরুদ্ধে। রতন চন্দ্র বৈরাগী উপজেলার গালয়া এসকে বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সমাজ-বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক বলে জানা গেছে।

    জানা যায়, গালুয়া এসকে বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক না থাকায় সমাজ-বিজ্ঞানে নিয়োগপ্রাপ্ত রতন চন্দ্র বৈরাগীকে কয়েকদিনের জন্য ইংরেজি ক্লাস নিতে বলেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। রতন সেই সুযোগে নিজেকে ইংরেজি শিক্ষক দাবি করে স্কুলের শিক্ষার্থীদেরকে তার কাছে প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করছেন। তার কাছে যারা পড়তে না আসে, বিভিন্ন অযুহাতে পরীক্ষায় তাদের নম্বর কমিয়ে দেওয় হয়। আর যারা নিয়মিত রতনের কাছে প্রাইভেট পড়ে, তাদের নম্বর বেশি দিয়ে থাকেন।

    প্রাইভেট পড়ানোর বিষয়টি স্বীকার করে অভিযুক্ত রতন চন্দ্র বৈরাগী জানায়, শিক্ষার্থীরা আমার কাছে পড়তে চায় বিধায় তাদের প্রাইভেট পড়াই। তবে নম্বর বেশি বা কাউকে কম দেওয়ার বিষয়টি সত্য নয়। অভিভাবক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ইংরেজি শিক্ষক না হয়েও আমার মেয়েকে রতন বাবু প্রাইভেট পড়াতে চায়। আমার মেয়েও তার কাছে কিছুদিন প্রাইভেট পড়ে বাদ দেয়। পরীক্ষার খাতায় রতন বাবু আমার মেয়েকে নম্বর কমিয়ে দেয়।

    গালুয়া এসকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাহাঙ্গির হোসেন জানান, যেই স্কুলের শিক্ষক, সেই স্কুল শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ানো কোনো বিধান নেই। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে রতন বাবু প্রাইভেট চালিয়ে যাওয়ায় স্কুল কর্তৃপক্ষ রেজুলেশন করে তাকে দুইবার নোটিশ দিয়েছে। আগে স্কুলে বসেই পড়াতো। নোটিশ করার পরে পাশেই একটি বাড়ির কক্ষ ভাড়া নিয়ে সেখানে প্রাইভেট পড়ায়। রাজাপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এমডি আবুল বাশার তালুকদার বলেন, এসকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞানের শিক্ষক রতন বাবুর বিরুদ্ধে প্রাইভেট পড়ানো, প্রাইভেট না পড়লে নম্বর কম দেওয়া ও করোনাকালে নির্দেশনা অমান্য করে প্রাইভেট পড়ানোসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ