২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে : ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার

২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ আর্থিকভাবে লাভবান হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার বেশিরভাগই কর্মক্ষম। এদের মধ্যে ৬৬ ভাগ মানুষ আয়ের ক্ষমতা রাখে। তাই আমাদের আর বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না। ২০৪০ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে। সোমবার দুপুরে ঝালকাঠি শিল্পকলা একাডেমিতে জেলায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা এবং মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নবিষয়ক অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে জেলার ২২০ জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে জিয়া হায়দার বলেন, শুধু লেখাপড়ায় জিপিএ-৫ পেলেই হবে না, শুদ্ধাচার ও স্বাস্থ্যের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। পাশাপাশি দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা গ্রহণ করে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আজ আমি একঝাঁক উজ্জ্বল নক্ষত্রের মাঝে বসে আছি। তোমাদের মধ্যে কবি কামিনী রায় ও কবি জীবনানন্দ দাসের মতো প্রতিভা রয়েছে। তোমাদের সাফল্য ধরে রাখতে হবে এবং নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে হবে।’
জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। নিজেদের পাশাপাশি অন্য ভাইবোনদেরও সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে হবে, যাতে সবাই মিলে সামনে এগিয়ে যেতে পারে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে যাদের বিশেষ প্রতিভা রয়েছে, তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়েও তিনি গুরুত্ব দেন। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান তিনি।
পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলা যাবে না। বাড়ির আঙিনাসহ আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং ময়লা-আবর্জনার ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে হবে।
তিনি শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে বলেন, তারা নিজেদের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে এবং নিজেদের যোগ্যতা ও মেধা দিয়ে ঝালকাঠিকে আরও আলোকিত করবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভূট্টো।
ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মেরিন সুলতানা, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবু ছাইদ।
এইচকেআর