ঢাকা শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • দিল্লিতে পতাকা মিছিলের আগে আটক সিজেপির অভিজিৎ দীপকে ‘চাঁদাবাজির প্রশ্নে যদি কোনো সমস্যা থাকে, হয় আপনি থাকবেন না হয় চাঁদাবাজ থাকবে’ গৌরনদীতে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় কাতার প্রবাসী নিহত দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা ডিউটিতে নিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের ব্রিফিং প্যারেড  বরিশালে গার্ডিয়ান লাইফের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বরিশালে সাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে পৌনে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ ঢাবির সিনেট নির্বাচন: বরিশালে স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান ববি উপাচার্য বরিশালে রাতে হাতেম আলী কলেজে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত অধ্যক্ষ বরিশালে বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি এখন প্লট বাণিজ্য! বরিশালে শংকর মাঠ পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার
  • বরিশাল নগরীতে যত্রতত্র স্পিড ব্রেকারে বাড়ছে ভোগান্তি

    বরিশাল নগরীতে যত্রতত্র স্পিড ব্রেকারে বাড়ছে ভোগান্তি
    ছবি অনলাইন
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বরিশাল নগরীতে সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্মিত অপ্রয়োজনীয় কিছু স্পিড ব্রেকার  এখন ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নগরীর বিভিন্ন সড়কে অপরিকল্পিতভাবে যত্রতত্র তৈরি করা এসব রঙহীন স্পিড ব্রেকারের কারণে প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়ছে চালক ও যাত্রীরা।

    ৫৮ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সড়কগুলোতে শতাধিক স্পিড ব্রেকারে রয়েছে। এর মধ্যে বিএম কলেজ এরিয়ায় রয়েছে ১৫টি স্পিড ব্রেকার। এছাড়া সিএন্ডবি রোড (ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক), স্ব-রোড, হাসপাতাল রোডসহ নগরীর গুরুত্বপূর্ন প্রায় সকল সড়কেই রয়েছে একাধিক স্পিড ব্রেকার। যার অধিকাংশ রঙহীন। 

    নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে নির্দিষ্ট নীতিমালা না মেনেই নির্মাণ করা হয়েছে অসংখ্য স্পিড ব্রেকার। কোথাও উচ্চতা বেশি, কোথাও আবার খুব কাছাকাছি দূরত্বে একাধিক ব্রেকার বসানো হয়েছে। এতে যানবাহনের গতি স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছে না, সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। বিশেষ করে অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি সেবার গাড়িগুলো এসব স্পিড ব্রেকারের কারণে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হচ্ছে । এতে ঝুঁকিতে পড়ছে রোগীদের জীবন।

    নগরীর বাসিন্দারা জানায়, রাতের বেলায় অনেক স্পিড ব্রেকার স্পষ্টভাবে চিহ্নিত না থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে হঠাৎ ব্রেক করতে গিয়ে মোটরসাইকেল আরোহীরা পড়ে গিয়ে আহত হওয়ার ঘটনা ঘটছে।

    রিকশাচালক আব্দুল মালেক বলেন, “শহরে এত বেশি ব্রেকার যে, দিনে ৫০ বার ওঠানামা করতে হয়। এতে শরীরও খারাপ হয়ে যায়, গাড়িও নষ্ট হয়।” এদিকে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছে, অতিরিক্ত স্পিড ব্রেকারের কারণে গাড়ির সাসপেনশন ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, বাড়ছে রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী নির্দিষ্ট দূরত্ব ও উচ্চতা বজায় রেখে স্পিড ব্রেকার নির্মাণ করা উচিত। পাশাপাশি প্রতিটি ব্রেকারে দৃশ্যমান মার্কিং ও সাইনবোর্ড থাকা জরুরি।

    বিএম কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিন বলেন, “ ফার্স্ট গেটে সড়ক দূর্ঘটনায় আমাদের একজন সহপাঠী নিহত হওয়ার পর আমরা গুরুত্বপূর্ণ গেট গুলোতো স্পিড ব্রেকার দেয়ার জানিয়েছিলাম কিন্তু তখন সিটি করপোরেশন তড়িঘড়ি করে সব গেটে স্পিড ব্রেকার দেয়। ফলে কলেজের সামনে যানজট বেড়েছে আবার চলাচলকারী যাত্রীদের ভোগান্তি হচ্ছে। আমরাও অপ্রয়োজনীয় গেটের স্পিড ব্রেকার গুলো অপসারণ চাই।”

    বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক  বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন,  “বিএম কলেজের একজন শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর ছাত্রদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্পিড ব্রেকার গুলো দেয়া হয়েছে। এখন অপ্রয়োজনীয় যদি স্পিড ব্রেকার থাকে সেটা ছাত্র নেতাদের সাথে আলোচনা করে অপসারণ করা হবে। এছাড়া স্পিড ব্রেকার গুলোতে রঙ করার পরিকল্পনা আছে।”
     


    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ