ঢাকা বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • দ্বিতীয় স্ত্রী নাকি চাকরির সুপারিশ, ভাইরাল ভিডিও নিয়ে প্রশ্ন ছুড়লেন ডাকসু নেত্রী মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল, প্রিয়াঙ্কা ও অখিলেশ আটক পেশাজীবী দলের কেন্দ্রীয় নিবার্হী কমিটির সহ সভাপতি হলেন মিজানুর রহমান অহিদ  গৌরনদীতে মাদ্রাসার কক্ষে ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগে ডিসিদের ক্ষমতা বাতিল, ফিরলো আগের নিয়ম এবার মোদীর বাসভবন ঘিরে বিক্ষোভ, পদত্যাগ দাবি বরিশালে বনমালী গাঙ্গুলী ছাত্রী নিবাসে নৈশভোজ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  কিস্তির টাকা তুলতে গিয়ে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, এনজিওকর্মী পিরোজপুরের রাকিবুল আটক  কুয়াকাটায় ২০ কেজির সামুদ্রিক শোল বিক্রি ১৪ হাজার টাকায় মিত্রদের ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রীর, ৩১ দফা ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার
  • সরকারি হাসপাতালের খাবার স্যালাইন ডাস্টবিনে

    সরকারি হাসপাতালের খাবার স্যালাইন ডাস্টবিনে
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের কয়েকশত খাবার স্যালাইন ডাস্টবিনে ফেলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৩ মে) দুপুরে ফেলে দেয়া স্যালাইনগুলো সাধারণ মানুষ কুড়িয়ে নিয়ে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ নার্সিং ইনচার্জ আয়শা মারজান এ স্যালাইনগুলো ডাষ্টবিনে ফেলে দেন। এসব স্যালাইনের মেয়াদ রয়েছে ২০২৫ সাল পর্যন্ত।

    হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর স্বজন ছকিনা বেগম জানান, তিনি সোমবার দুপুরে হাসপাতালে সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এসময় নার্সিং ইনচার্জ আয়শা মারজানকে একটি বড় ব্যাগে করে স্যালাইন নিয়ে যেতে দেখেনে। অন্য মানুষজনও স্যালাইন নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি দেখে ফেললে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে স্যালইনগুলো পাশ্ববর্তী ডাস্টবিলে ফেলে দেন বলে জানান ছকিনা।

    দুমকির বাসিন্দা পঞ্চাশোর্ধ্ব মোসলেম মিরা জানান, ডাস্টবিনে হাজারো স্যালইন পরে থাকতে দেখে সেখান থেকে ১শ‘ স্যালাইন বাড়িতে নিয়ে গিয়েছি। স্যালাইনের মেয়াদ দেখলাম ২০২৫ সাল পর্যন্ত রয়েছে, এজন্য একটু বেশি নিয়েছি। অপর বাসিন্দা মিশু জানান, হাসপাতালের সমানে দাঁড়িয়ে দেখি সবাই স্যালাইন কুড়িয়ে নিচ্ছে। তাই আমিও ৫০ পিস নিয়েছি।

    এ বিষয়ে আলাপকালে আয়শা মারজান দাবি করেন, তিনি এ ঘটনার সাথে জড়িত নন। এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। কেউ তাদের ফাঁসাতে এ কাণ্ড ঘটাতে পারে বলে পাল্টা অভিযোগ করেন তিনি।

    দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মীর শহীদুল শাহিন জানান, ইতিমধ্যে স্যালইনের বিষয়ে আয়শা মারজানকে শোকজ করা হয়েছে। এসব স্যালাইন কিভাবে ডাষ্টবিনে গেলা বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। এ ঘটনার সাথে কারোর দায়িত্ব অবহেলা বা অনিয়মের প্রমাণ পেলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


    কেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ