ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • আওয়ামী সরকারের আমলে যেসব কর্মকাণ্ড নির্বাচন ব্যবস্থা কলুষিত করে ভোলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আটক প্রেমিকের সঙ্গে অভিমান করে নদীতে ঝাঁপ বিএম কলেজ শিক্ষার্থীর জাপা নেতাদের প্রার্থিতা বাতিলের দাবি, জুলাই ঐক্যের কর্মসূচি ঘোষণা ইরানে নিস্তেজ হয়ে পড়ছে বিক্ষোভ, সরকারের পক্ষে বিশাল সমাবেশ গৌরনদীতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার আগৈলঝাড়ায় সরকারী অফিসের প্রবেশ পথে চেয়ার-টেবিল ও রশি টানিয়ে অফিস করছেন কর্মকর্তা  মঠবাড়িয়ায় স্বেচ্ছাশ্রমে ৭৫ ফুট দীর্ঘ ব্রিজ নির্মাণ দণ্ডিত ২৫ বাংলাদেশিকে ক্ষমা করলেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, নিহত অন্তত ১৯২
  • ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট, দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে উদ্বেগ

    ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট, দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে উদ্বেগ
    ফাইল ফটো
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    করোনা সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নিচে নেমে আসায় ৩০ মার্চ স্কুল-কলেজ এবং ২৪ মে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রীর এমন ঘোষণার পরপরই শুরু হয় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। বদলে যায় স্কুল-কলেজ খোলার তারিখ। বলা হয়, ২৪ মে উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে খুলবে স্কুল কলেজও। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সেই তারিখ যখন দোরগোড়ায়, ঠিক তখন দেশে করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ধরা পড়েছে রোগীর শরীরে। এতে নতুন করে উদ্বেগ বাড়ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার তারিখ নিয়ে।

    ১৭ মে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল খুলে দেওয়ার কথা থাকলেও সেখান থেকে সরে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা বলছেন, ১৬ মে পর্যন্ত সরকারি বিধিনিষেধ রয়েছে। সেই বিধিনিষেধ আরও এক সপ্তাহ বাড়তে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে সরকার। এই অবস্থায় হল খুলে দেওয়ার কোনো পরিস্থিতি নেই।

    এছাড়াও সারাদেশের সব শিক্ষক, কর্মচারী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের এক লাখ ৩০ হাজার আবাসিক শিক্ষার্থীর টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। ফলে পূর্বনির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী ২৪ মে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলছে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভোস্ট কমিটির সভায় ১৭ মে আবাসিক হল না খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    করোনাভাইরাসের বর্তমান পরিস্থিতিতে আগামী ২৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলার যাবে কি না- তা পর্যালোচনা করতে গত ৫ মে বৈঠকে বসেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা। বৈঠকে বর্তমান পরিস্থিতিতে কী করণীয় তা নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েন তারা। ফলে আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৭ মে আবাসিক হল খুলে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে বৈঠকে উপস্থিত একাধিক ভিসি জানিয়েছেন।

    আগামী জুন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২০২০-২১ সালের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা যথা সময়ে অনুষ্ঠিত হবে না বলে জানান তারা। তবে এ ঘোষণাটি তারা নিজেরা দিতে চান না। সরকারের হয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার নতুন তারিখ ঘোষণা দেবেন বলে জানা গেছে।

    উপাচার্য পরিষদের সদস্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে ৫ মে উপাচার্যদের মধ্যে বৈঠক ছিল। তবে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতি কেমন তা তো সবাই দেখছেন। এর মধ্যে সরকারি বিধিনিষেধ চলছে। এ অবস্থায়, করোনা মোকাবিলার জন্য গঠিত টেকনিক্যাল কমিটির সঙ্গে বসে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেব।

    এদিকে, মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর সৈয়দ গোলাম মোহাম্মদ ফারুক বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ ৫ শতাংশের নিচে না এলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়তো সম্ভব হবে না। দেশে করোনাভাইরাসের ভারতীয় ধরন ধরা পড়ার পর এ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাই আপাতত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলা পর্যায়ে অনলাইন ক্লাসে উপজেলা শিক্ষার্থীদের সংযুক্ত করার জন্য বলা হয়েছে।

    সরকারি বিধিনিষেধ প্রত্যাহার হলে পুনরায় অ্যাসাইনমেন্ট শুরু করা যাবে। আর সংক্রমণ কমতে থাকলে একটা সময় সীমিত আকারে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জন্য তৈরি সংক্ষিপ্ত সিলেবাস পড়ানো শুরু করা যাবে। অন্যান্য ক্লাসও শুরু করা হবে পর্যায়ক্রমে। তবে সব কিছুই নির্ভয় করছে করোনা পরিস্থিতির ওপর।


    কে.আর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ