কান দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল নিহত ব্যবসায়ীর

বরিশাল নগরের রূপাতলী এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে এক মাছ ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নিহত রুবেল খন্দকার (৩০) নামের ওই ব্যবসায়ীর স্ত্রী বীথি আক্তার বাদী হয়ে আজ বুধবার সন্ধ্যায় বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। তবে মামলায় কাউকে আসামি করা হয়নি।অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।
কোতোয়ালি মডেল থানার পরির্দশক (তদন্ত)মোঃ লোকমান হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পরিদর্শক লোকমান হোসেন বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
মঙ্গলবার রাত ৯ টার দিকে মো. রুবের খন্দকার নামের ওই মাছ ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। নগরের রূপাতলী এলাকায় স্বাধীন পার্ক নামের একটি আবাসিক হোটেলের দোতলার উত্তর পাশের একটি কক্ষ থেকে ওই ব্যবসায়ির লাশটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, রুবেল খন্দকারের ডান কান দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। এছাড়া তাঁর গলায় কালো দাগ ছিল। এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয় বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে ময়না তদন্ত শেষে প্রতিবেদন হাতে পেলে তাঁর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওযা যাবে।
রুবেল খন্দকারের স্ত্রী ও মামলার বাদী বীথি আক্তার জানান, তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে। তাঁর স্বামী পেশায় মাছ ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার হেলেঞ্চা গ্রামে হলেও রুবেল খন্দকার পরিবার নিয়ে বরিশাল নগরে জিয়া সড়কে ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন। নগরের রূপাতলী এলাকায় মাছের ব্যবসা ছিল তাঁর। মঙ্গলবার সকালে তিনি বাসা থেকে রূপাতলীর উদ্দেশে আসেন। এরপর রাতে আর ফেরেননি। তবে বেশি রাত হলে তিনি বাসায় না ফিরে ওই হোটেলে থাকতেন। মঙ্গলবার রাতে খবর পান হোটেল কক্ষে তাঁর স্বামীর লাশ পাওয়া গেছে।
এরপর তিনি সেখানে এসে দেখেন তাঁর স্বামীর লাশ হোটেল কক্ষে পড়ে আছে। তাঁর কান থেকে রক্ত বের হচ্ছিল এবং গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বীথি আক্তার সন্দেহ করছেন, ব্যবসায়িক শত্রুতা বা অন্য কোনো কারনে হোটেল কক্ষে কে বা কারা তাঁর স্বামীকে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে গেছে। এ জন্য তিনি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
এদিকে ময়না তদন্ত শেষে বুধবার বিকেলে রুবেল খন্দকারের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিযেছে পুলিশ।
এসএম