নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ডিসি’র কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ

ভোজ্যতেল-চাল-ডাল-সিলিন্ডার গ্যাসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে জেলা প্রশাসক (ডিসি) কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার সকালে গণসংহতি আন্দোলন বরিশাল জেলা শাখা এই কর্মসূচি পালন করে।
সংগঠনের জেলা শাখার আহ্বায়ক দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলুর সভাপতিত্বে ও সদস্য সাকিবুল ইসলাম সাফিনের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলার সদস্য সচিব আরিফুর রহমান মিরাজ, সদর উপজেলা সদস্য সচিব ইয়াসমিন সুলতানা কড়াপুর ইউনিয়ন শাখার আহ্বায়ক নুরজাহান বেগম, ছাত্র ফেডারেশন জেলা শাখার সভাপতি জাবের মোহাম্মদ, সহ-সভাপতি হাছিব আহমেদ, ছাত্র ফেডারেশন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক জামান কবিরসহ বিভিন্ন অঞ্চলের নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু বলেন, দ্রব্যমূল্যর ঊর্ধ্বতগিতে মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে। সরকারের মন্ত্রীরাও এখন কিছুটা নমনীয় সুরে স্বীকার করছেন যে জিনিসপত্রের দাম বেসামাল। তাঁরা সামাল দিতে পারছেন না সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য। এই সিন্ডিকেট কারা? এই সরকারই গ্যাসের দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে।
গ্যাস যে দামে বিক্রি হয়, তাতে লোকসান হয় না। গ্যাস দিয়ে উৎপাদিত বিদ্যুতেও কোনো লোকসান হয় না। তবু দাম বাড়াতে হচ্ছে, তার কারণ, নিজেদের পোষ্য কিছু লোককে ব্যবসা দেওয়ার নামে তারা তেলভিত্তিক যে কুইক রেন্টাল প্রকল্পগুলো বানিয়েছিল, সেগুলোর মাধ্যমে তাদের পকেট ভরার জন্য।”
তিনি বলেন, “সরকার নির্ধারিত দামের চেয়েও বাজারে বেশি দামে সব দ্রব্য বিক্রি করা হচ্ছে। বুধবার বরিশালে সয়াবিন তেল লিটার ২০০ টাকা বিক্রি করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার সম্ভাবনা অনুমান করেই বিক্রেতারা মজুদ করা শুরু করেছে। আমরা গত কর্মসূচিতে বাজার মনিটরিং এর ওপর জোরদার করার কথা বলেছিলাম। কিন্তু কর্তৃপক্ষ সেদিকে নজর দেয় নি। তাদের কর্তকুহরে জনগণের আওয়াজ পৌঁছায় না।
এর আগে নগরীর সদর রোড থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে গণসংহতি আন্দোলন। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
কে আর