ঢাকা বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • এসএসসির ফলে অসন্তোষ: ৪ লাখ শিক্ষার্থীর প্রায় ১৩ লাখ খাতা চ্যালেঞ্জ গুলশান ইয়ুথ ক্লাব ইন্টার ক্লাব স্পোর্টসফেস্ট ‘উল্লাস’-২০২৬ সিজন ২ সমন্বয় সভা  বরিশালে ঘরোয়া রেস্তোরাসহ চার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা  জনগণের সহযোগিতা ছাড়া আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়: নবাগত ডিআইজি লালমোহনে পৌরসভার ময়লা ফেলা হচ্ছে হেলিপ্যাডের উপর, দুর্গন্ধে এলাকাবাসী কুয়াকাটা সৈকতে বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে সরে যাচ্ছে বালু, ঝুঁকিতে পুলিশ বক্স পিরোজপুরে ইয়াবাসহ গ্রাম পুলিশ গ্রেফতার ৬৯০ বন্দি এখনো পলাতক, ১৬৬ জনের তথ্য ‘খুঁজে পাচ্ছে না’ কারা কর্তৃপক্ষ কাউখালীতে নাগরিক উদ্যোগের বার্ষিক পর্যালোচনা সভা  বরিশালে জাতীয় ফলমেলা উদ্বোধন করলেন তথ্যমন্ত্রী
  • বানারীপাড়ায় সিংহভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেই শহীদ মিনার

    বানারীপাড়ায় সিংহভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেই শহীদ মিনার
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ভাষার মাস ফেব্রুয়ারী। শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ অর্পণের মধ্য দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানোর দিন মহান ২১ ফেব্রুয়ারী ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস। মায়ের মুখের ভাষা প্রতিষ্ঠার জন্য সারা বিশ্বে একটি মাত্র জাতি রক্ত দিয়েছে। আর সেই গৌরবের জাতি বাঙালী জাতি। অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল সোনার বাংলা বির্নিমাণে একুশ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা  প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হলো মুক্তিযদ্ধের শহীদ স্মৃতি স্তম্ভ ও ভাষা আন্দোলনের শহীদ মিনার।

    কিন্তু বানারীপাড়ায় সিংহভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার না থাকায় শিক্ষার্থীরা ৫২’র ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও একুশের চেতনা লালণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। উপজেলার বেশির ভাগ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ গুলোতে শহীদ মিনার থাকলেও সিংহভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় শহীদ মিনার নেই। বানারীপাড়া উপজেলার ১২৬ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে হাতে গোনা কয়েকটি স্কুলে শহীদ মিনার রয়েছে। এছাড়া উপজেলায় ২০টি মাদ্রাসার মধ্যে একটিতেও শহীদ মিনার নেই। ফলে ওই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা একুশের চেতনা ধারণ ও লালণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বহুতল ভবন নির্মাণ সহ অবকাঠামো উন্নয়নে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করলেও একুশ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার ও শহীদ স্মৃতি স্তম্ভ নির্মাণে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় প্রতি বছর চাঁদা তুলে ‘কলা গাছের’ শহীদ মিনার তৈরী করে কোমল মতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংবা রাস্তার মোড়ে মোড়ে  দিবসটি পালণ করতে দেখা যায়।

    এ প্রসঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. শাহে আলম বলেন, মায়ের মুখের ভাষা প্রতিষ্ঠার জন্য যারা অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন তাঁদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা রেখে নতুন প্রজন্মের মধ্যে একুশের চেতনা ছড়িয়ে দিতে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক জানান, ইতোমধ্যে উপজেলার  কয়েকটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারি অর্থায়নে শহীদ মিনার নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫২’র ভাষা আন্দোলণের স্মৃতির শহীদ মিনার নির্মাণ করা হবে।

    বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন কুমার সাহা বলেন, শৈশব ও কৈশোর কাল থেকে একুশের  চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার থাকা প্রয়োজন। এ ব্যপারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।


    এমইউআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ