পরিবহন খরচ বাড়ায় বরিশালে বেড়েছে সবজি ও পন্যের দাম

সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে সবজির বাজারে। সাথে সাথে বড়েছে অন্যান্য পণ্যের দাম। তবে স্বাভাবিক আছে মুরগীর দাম।জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়াতে বেড়েছে পরিবহন খরচ তাই দাম বেড়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।
শুক্রবার (১২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬ টায় নগরীর চৌমাথা বাজার ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।
চৌমাথা বাজার ঘুরে দেখা যায় বেশিরভাগ সবজির দাম গত সপ্তাহের চেয়ে এ সপ্তাহে কিছুটা বেড়েছে। কেজিতে এসব বাজারে প্রতিকেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিস ৬০ টাকা, টমেটো ১৬০ টাকা, বরবটি ৭০ টাকা। গাজর প্রতি কেজি ১৬০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, লতি ৫০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা, পেঁপের কেজি ২৫ টাকা।
এসব বাজারে কিছুটা দাম বেড়েছে কাঁচামরিচের।প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়।
এছাড়া কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা। শসা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়।
চৌমাথা বাজারের সবজি বিক্রেতা শাহীন মল্লিক বলেন, সবজি বাজারের কোন নিশ্চয়তা নেই, আগামীকাল আবার দাম বাড়তেও পারে আবার কমেও যেতে পারে। শীতের নতুন সবজি বাজারে। দাম কিছুটা বাড়তি কারন তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়াতে পরিবহন খরচা বেশি।
এদিকে চৌমাথা বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা কেজি। যা গতসপ্তাহে ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছিল। দেশি পেঁয়াজ কেজি ৫৫ টাকা। ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকায়।
এছাড়া শুকনা মরিচ প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, রসুনের কেজি ৫০ থেকে ১২০ টাকা, চায়না আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা। হলুদের কেজি ১৫০ টাকা থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইন্ডিয়ান ডাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। দেশি ডাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়।
এসব বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়।
বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায়। আটা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়।
বাজারে অপরিবর্তিত আছে ডিমের দাম। লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১০৮ টাকায়। হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা। সোনালী (কক) মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ টাকায়।
এদিকে বাজারে কমেছে মুরগির দাম। ব্রয়লার মুরগির কেজিতে ১৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজি। গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ১৬৫ টাকা। গত সপ্তাহের থেকে ২০ টাকা দাম কমে বিক্রি হচ্ছে সোনালি মুরগি। কেজি ২৮০ টাকা। লেয়ার মুরগি ১০ টাকা বেড়ে কেজি ২৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
চৌমাথা বাজারের মুরগি বিক্রেতা মো. নুরুজ্জামান বলেন, শীত কাল আসছে বলে ব্রয়লার মুরগির দাম কমেছে। তবে পরিবহন খরচা বেড়ে যাওয়াতে যে কোন সময় বাড়তে পারে দাম।
এইচকেআর