চরকাউয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

বরিশাল সদর উপজেলার ৭নং চরকাউয়া ইউনিয়নে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের তালা প্রতীকের মেম্বার পদপ্রার্থীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী। যদিও নির্বাচন ও পুলিশ কমিশনার নির্বাচনী আচরণবিধি সঠিকভাবে পালনে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। তবে তা উপক্ষো করছেন ওই প্রার্থী।
জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অত্যাসন্ন। এমন অবস্থায় ব্যস্ত সময় পার করছেন মেম্বার পদপ্রার্থীরা। ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডে এবার মেম্বার প্রার্থী রয়েছেন ৪ জন। এদের মধ্যে তালা প্রতীক নিয়ে মাঠে আছেন মো. সাইদুল আলম লিটন। তবে তার বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন ভোটাররা।
অভিযোগ রয়েছে, লিটন নির্বাচনী পোস্টার সাঁটানোর ক্ষেত্রে নিয়মনীতি ভঙ্গ করছেন। পোস্টার কেবল ঝুলিয়ে প্রদর্শনের নির্দেশনা থাকলেও তা মানছেন না মেম্বার প্রার্থী লিটন। তার সমর্থকরা ভোটারদের বাড়ি-ঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনার দেয়ালে নির্বাচনী পোস্টার সাঁটিয়েছেন। বাদ যায়নি বৈদ্যুতিক খুঁটিও।
এছাড়া প্রার্থী লিটনের বিরুদ্ধে মাইকের মাধ্যমে উচ্চস্বরে প্রচারণা চালানোরও অভিযোগ রয়েছে। যদিও যত্রতত্র পোস্টার সাঁটানো এবং নির্দিষ্ট সময় ব্যতীত মাইকিং এর বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা রয়েছে প্রশাসনের। তবে সেই নির্দেশনার প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সাইদুল আলম লিটন তার কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছেন।
এ অবস্থায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্টদের প্রতি দাবি জানিয়েছেন ওয়ার্ডবাসী।
এ বিষয়ে মেম্বার পদপ্রার্থী মো. সাইদুল আলম লিটন বলেন, আমার বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য নয়। আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল এমন অপপ্রচার চালাচ্ছে। যত্রতত্র পোস্টার সাঁটানোর বিষয়ে তিনি বলেন, এলাকার কিশোর ছেলেপেলে আছে যারা এ বিষয়ে জানেনা। তারা হয়ত ভুল করে পোস্টারগুলো লাগিয়েছে। তিনি এর কিছুই জানেন না। তবে এখন যেহেতু জানতে পেরেছেন, যত্রতত্র সাঁটানো পোস্টারগুলো যত দ্রুত সম্ভব অপসারণ করবেন বলে জানান মেম্বার পদপ্রার্থী সাইদুল আলম লিটন।
জানতে চাইলে চরকাউয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল মান্নান বলেন, নির্বাচনী মাঠে তাদের কঠোর নজরদারি রয়েছে। তবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে কোন অভিযোগ এখনও পাননি। অভিযোগ পেলে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন এই কর্মকর্তা।
এমবি