পদ হারিয়ে বিএনপি নেতা চান পেলেন সান্ত্বনা পুরস্কার

গত ৩ নভেম্বর ঘোষণা হয়েছে বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপি’র তিনটি ইউনিট কমিটি। এ তিনটি আহ্বায়ক কমিটি’র কোথাও জায়গা হয়নি হেভিওয়েট নেতাদের। দীর্ঘ বছরের আধিপত্য হারাতে হয়েছে মজিবর রহমান সরোয়ার, এবায়দুল হক চান এবং মেজবাহউদ্দিন ফারহাদের মতো নেতাদের।
তবে বরিশালে স্থানীয় রাজনীতিতে পদ হারালেও কেন্দ্রের পদ ধরে রেখেছেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মেজহাহ উদ্দিন ফরহাদ। শুধু পদহীন নেতায় পরিণত হয়েছেন দীর্ঘ বছর বিএনপি’র রাজনীতিতে নেতৃত্ব দিয়ে আসা এবায়দুল হক চান। কেননা জেলা বিএনপি’র সভাপতি ছাড়া দলের দ্বিতীয় কোন পদে নাম নেই তার।
এ নিয়ে ভারাক্রান্ত এবায়দুল হক চান পেয়েছেন কেন্দ্রের সান্ত্বনা পুরস্কার। পদ হারানোর এক দিন পরেই তাকে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক আদেশের মাধ্যমে তাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
ওই আদেশে এবায়দুল হক চানকে দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ‘আপনাকে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আপনি দলকে শক্তিশালী ও গতিশীল করতে নিরলস ও যথাসাধ্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন বলে দল আশা রাখছে। এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।’
উল্লেখ্য, গত ৪ নভেম্বর মনিরুজ্জামান ফারুককে আহ্বায়ক, বিসিসি’র কাউন্সিলর মীর জাহিদুল কবির জাহিদকে সদস্য সচিব ও অ্যাডভোকেট আলী হায়দার বাবুলকে ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক করে মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা হয়।
এছাড়া দক্ষিণ জেলায় অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান নান্টু কে আহ্বায়ক, আকতার হোসেন মেবুল কে সদস্য সচিব, উত্তর জেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ কে আহ্বায়ক এবং মিজানুর রহমান মুকুল কে সদস্য সচিব করে আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপি’র কমিটি গঠনের তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এমবি