ঢাকা সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • মেহেন্দিগঞ্জে খাজনার টাকা না দেয়ায় গাছসহ গাড়ি আটক সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ ও অনলাইন ডাটাবেজ তৈরির পরিকল্পনা চার দফা দাবিতে মহাসড়কে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বাড়ছে হামের প্রকোপ: বরিশালে এ পর্যন্ত মারা গেছে ১৯ জন ৯ দফা দাবিতে বরিশালে ইজিবাইক-রিকশা শ্রমিকদের সমাবেশ এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু বরিশালে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা বরিশালে জমি দখলের উদ্দেশ্য বিএনপি নেতা ও স্কুল শিক্ষকের নেতৃত্বে হামলা   গণমাধ্যমকে প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা দিতে নীতিমালা করা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী
  • বরিশালের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিরুপম মজুমদারের মানবিকতার দৃষ্টান্ত

    বরিশালের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিরুপম মজুমদারের মানবিকতার দৃষ্টান্ত
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    চাকরি করেন সরকারের উচ্চ পদে। সকাল থেকে সন্ধ্যা সরকারি দফতরের কাজ সামলে অবসর বলতে কিছুই থাকে না। দায়িত্বে রয়েছেন জেলা প্রশাসনের তথ্যপ্রযুক্তি, ফ্রন্ট ডেস্ক এবং তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তার। কিন্তু এরমাঝেও অসহায় মানুষের জন্য মন কাঁদে তার।

    বিভিন্ন স্থানে গেলে তিনি নিজেই বলে বেড়ান, কোনো রোগীর রক্তের দরকার হলে আমাকে জানাবেন। আমি স্বেচ্ছায় রক্ত দিই। এভাবে কয়েকজন মুমূর্ষু রোগীকে বাঁচিয়েছেন। অনেক রোগীকে নিয়ম করেই রক্ত দেন তিনি।

    তিনি বরিশাল জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিরুপম মজুমদার। এই কর্মকর্তা বলেন, রাষ্ট্রের জন্য সরকারের কাজ করা যেমন আমার দায়িত্ব তেমনি মুমূর্ষু রোগীকে বাঁচাতে রক্ত দেওয়াও আমার দায়িত্ব।

    ২০১৯ সালের ৭ এপ্রিল এই জেলায় যোগ দেন তিনি। সর্বশেষ বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ১৩ বছর বয়সী কিশোরকে রক্ত দিয়েছেন তিনি। রক্ত দিতে পেরে বেশ উচ্ছ্বসিতও তিনি।

    নিরুপম মজুমদার বলেন, কয়েকমাস পূর্বে ভ্যাকসিন নিতে গিয়েছিলাম। স্বেচ্ছাসেবীদের বলে এসেছিলাম যে, আমার রক্তের গ্রুপ ‘ও পজিটিভ’। কারও রক্ত লাগলে যোগাযোগ করতে বলবেন। রক্ত দেওয়ার জন্য মানুষকে বলার এই কাজটি আমি প্রায়ই করি। বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন ছিলাম তখনও বিভিন্নজনকে রক্ত দিয়ে সাহায্য করেছি।

    তিনি বলেন, আজ সকালে সেই স্বেচ্ছাসেবীর কাছ থেকে মোবাইল নম্বর নিয়ে রোগীর এক স্বজন আমাকে কল করেন। দুপুরে শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে রক্ত দিয়ে আসি। এখন পর্যন্ত ১৫/১৬ জনকে রক্ত দিয়েছি। এরমধ্যে অধিকাংশই থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত শিশু।

    মনে আছে ছাত্রজীবনে এবং জীবনের প্রথম যাকে রক্ত দিয়েছিলাম সেই শিশুটির বয়স এখন ১৫ বছর হবে। তার পরিবারের সাথে এখনো যোগাযোগ রয়েছে। শুধু তারা নন, যাদেরকেই রক্ত দিই সেই রোগীর সম্পর্কে আমি খোঁজখবর নিই বলে জানান তিনি।

    প্রসঙ্গত, আজ তিনি যাকে রক্ত দিয়েছেন ১৩ বছর বয়সী সেই শিশুও থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত। ওই শিশুর পিতা আব্দুল কাদের জানান, নগরীর দপ্তরখানা এলাকার বাসিন্দা তারা। দুই সন্তানের মধ্যে ছোট ছেলে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত।


    এসএমএইচ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ