ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশালে চাঞ্চল্যকর আখি হত্যা মামলার আসামি স্বামী ও শশুর প্রায় তিনমাস পর ঢাকায় গ্রেপ্তার বরিশ‍াল নগরীতে শারীরিক অসুস্থতায় নারীর আত্মহনন শেয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়ার মতো ভুলে জাতির ভাগ্যে বারবার হতাশা শিক্ষার্থীর ওপর হামলার প্রতিবাদে বরিশাল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বিক্ষোভ বরিশালে কিশোরী অপহরণের অভিযোগে গ্রেফতার ৪ ববি শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ায় হামলা, আহত ১৫  প্রথম ফ্যাসিস্ট বাহিনী মুক্ত স্বাধীন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক  নদী ও খাল দূষণমুক্ত রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে: জেলা প্রশাসক  বরিশালে উপজেলা বিএনপির নতুন কমিটি বাতিলের দাবিতে ‘ঝাড়ু মিছিল’
  • ভোলায় নদীতে ইলিশ পাচ্ছে না  জেলেরা

    ভোলায় নদীতে ইলিশ পাচ্ছে না  জেলেরা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ভোলায় ইলিশ আহরণে খরা যাচ্ছে জেলেদের। ভোররাত থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত অপেক্ষা করেও কাঙ্ক্ষিত ইলিশ মিলছে না। কোনো কোনো জেলে এক থেকে দুটি বড় সাইজের ইলিশ পাচ্ছেন। আবার কাউকে ছয় থেকে সাতটি ছোট সাইজের জাটকা নিয়েই ফিরতে হচ্ছে। এতে করে জেলেদের জ্বালানির খরচই উঠছে না। অনেকে খরচাদি বাদে মাত্র ৫০-১০০ টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন।

    শুক্রবার (২৭ আগস্ট) সকালে ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া তুলাতুলি মৎস্য ঘাটে জেলেদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

    ভোলার তুলাতুলি এলাকার জেলে ও দৌলতখান উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের মদনপুর গ্রামের বাসিন্দা মনির হোসেন জানান, শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে তারা ছয়জন জেলে নদীতে মাছ শিকারে নামেন। তবে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত এক কেজি ওজনের একটি ইলিশ ও চারটি জাটকা পেয়েছেন।

    তিনি আরও জানান, ওই মাছ পরে তুলাতুলি মৎস্য ঘাটে ১৪০০ টাকায় বিক্রি করেন। এ টাকা থেকে দোকানে তেলের বাকি বাবদ ১১০০ টাকা পরিশোধ করেছেন। অবশিষ্ট ৩০০ টাকা তারা ছয়জন ভাগ করে নিয়েছেন। এতে প্রতিজনের ভাগে ৫০ টাকা পড়েছে।


    সদরের ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি গ্রামের জেলে মো. শিপন ও আব্দুর রহমান মাঝি বলেন, প্রতিদিন ভোররাত থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নদীতে যাই। কোনো দিন ২-৩টি বড় সাইজের ইলিশ পাই। আবার কোনোদিন ৫-৬টি জাটকা পাই। তা বিক্রি করে সব খরচ বাদে আমরা একেকজন ১০০-১৫০ টাকার বেশি পাই না।


    ‘ওই টাকা দিয়ে কোনোমতে মা-বাবা, স্ত্রী-সন্তানদের জন্য চাল-ডাল কিনে নিয়ে যাই। কিন্তু এনজিওর কিস্তির টাকা দিতে পারি না। কিস্তির টাকা না দিতে পারায় সমিতি লোকজন বারবার বাড়িতে আসে। আমরা ভয়ে পালিয়ে বেড়াই’, যোগ করেন জেলে শিপন ও আব্দুর রহমান।


    মাইনুল মাঝি ও সত্তার মাঝি  বলেন, আমরা মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর জেলেরা নদীতে মাছ না পেয়ে অনেক কষ্টে দিনযাপন করছি।

    তুলাতুলি মৎস্য ঘাটের আড়তদার মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, চলতি ইলিশের ভরা মৌসুমের শুরুর দিকে ঢাকার পাইকারদের কাছ থেকে দাদনে (সুদে) টাকা এনে জেলেদের দিয়েছি। কথা ছিল জেলেরা ভরা মৌসুমে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ শিকার করে অল্প অল্প করে দাদনের টাকা পরিশোধ করবেন। কিন্তু বর্তমানে জেলেদের জালে এক-দুটির বেশি বড় ইলিশ ধরা পড়ছে না। কেউ কেউ ৪-৫টি জাটকা নিয়েই ঘাটে আসেন। এতে করে আমরা ঢাকায় মাছ পাঠাতে পারছি না।


    তিনি বলেন, ‘ঢাকার পাইকাররা অনেক চাপ দিচ্ছে কিন্তু কিছু করার নেই। নদীতে মাছ না পাইলে মাছ পাঠাবো কীভাবে।’

    ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম আজহারুল ইসলাম জানান, বর্তমানে জেলেরা নদীতে আশানুরূপ ইলিশ পাচ্ছেন না। তবে আমরা আশা করছি, এ মাসের শেষের দিকে বা সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে জেলেরা আশানুরূপ ইলিশ শিকার করতে পারবেন।


    এইচেকআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ