ঢাকা বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে : বার্নিকাট দীর্ঘ ৯ মাস অনুপস্থিত, প্রকৌশলীকে খুঁজতে থানায় জিডি সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত অন্তত ২০০০ : ইরান ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে কাভার্ডভ্যানের চাপায় নিহত ৩ বরগুনা‍য় নারী কর্মীদের ধাওয়া, প্রতিবাদ করায় জামায়াত নেতার ওপর হামলা ১ কোটি লিটার সয়াবিন, ৪০ হাজার টন ইউরিয়া কিনবে সরকার নলছিটিতে প্যানেল চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ মঠবাড়িয়ায় অবৈধ ইটভাটাকে এক লাখ টাকা জরিমানা বোরহানউদ্দিনে মুক্তিপণের বিনিময়ে জিম্মি দশা থেকে মুক্তি পেলেন ৪ জেলে  আওয়ামী সরকারের আমলে যেসব কর্মকাণ্ড নির্বাচন ব্যবস্থা কলুষিত করে
  • ভোলায় নদীতে ইলিশ পাচ্ছে না  জেলেরা

    ভোলায় নদীতে ইলিশ পাচ্ছে না  জেলেরা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ভোলায় ইলিশ আহরণে খরা যাচ্ছে জেলেদের। ভোররাত থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত অপেক্ষা করেও কাঙ্ক্ষিত ইলিশ মিলছে না। কোনো কোনো জেলে এক থেকে দুটি বড় সাইজের ইলিশ পাচ্ছেন। আবার কাউকে ছয় থেকে সাতটি ছোট সাইজের জাটকা নিয়েই ফিরতে হচ্ছে। এতে করে জেলেদের জ্বালানির খরচই উঠছে না। অনেকে খরচাদি বাদে মাত্র ৫০-১০০ টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন।

    শুক্রবার (২৭ আগস্ট) সকালে ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া তুলাতুলি মৎস্য ঘাটে জেলেদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

    ভোলার তুলাতুলি এলাকার জেলে ও দৌলতখান উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের মদনপুর গ্রামের বাসিন্দা মনির হোসেন জানান, শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে তারা ছয়জন জেলে নদীতে মাছ শিকারে নামেন। তবে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত এক কেজি ওজনের একটি ইলিশ ও চারটি জাটকা পেয়েছেন।

    তিনি আরও জানান, ওই মাছ পরে তুলাতুলি মৎস্য ঘাটে ১৪০০ টাকায় বিক্রি করেন। এ টাকা থেকে দোকানে তেলের বাকি বাবদ ১১০০ টাকা পরিশোধ করেছেন। অবশিষ্ট ৩০০ টাকা তারা ছয়জন ভাগ করে নিয়েছেন। এতে প্রতিজনের ভাগে ৫০ টাকা পড়েছে।


    সদরের ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি গ্রামের জেলে মো. শিপন ও আব্দুর রহমান মাঝি বলেন, প্রতিদিন ভোররাত থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নদীতে যাই। কোনো দিন ২-৩টি বড় সাইজের ইলিশ পাই। আবার কোনোদিন ৫-৬টি জাটকা পাই। তা বিক্রি করে সব খরচ বাদে আমরা একেকজন ১০০-১৫০ টাকার বেশি পাই না।


    ‘ওই টাকা দিয়ে কোনোমতে মা-বাবা, স্ত্রী-সন্তানদের জন্য চাল-ডাল কিনে নিয়ে যাই। কিন্তু এনজিওর কিস্তির টাকা দিতে পারি না। কিস্তির টাকা না দিতে পারায় সমিতি লোকজন বারবার বাড়িতে আসে। আমরা ভয়ে পালিয়ে বেড়াই’, যোগ করেন জেলে শিপন ও আব্দুর রহমান।


    মাইনুল মাঝি ও সত্তার মাঝি  বলেন, আমরা মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর জেলেরা নদীতে মাছ না পেয়ে অনেক কষ্টে দিনযাপন করছি।

    তুলাতুলি মৎস্য ঘাটের আড়তদার মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, চলতি ইলিশের ভরা মৌসুমের শুরুর দিকে ঢাকার পাইকারদের কাছ থেকে দাদনে (সুদে) টাকা এনে জেলেদের দিয়েছি। কথা ছিল জেলেরা ভরা মৌসুমে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ শিকার করে অল্প অল্প করে দাদনের টাকা পরিশোধ করবেন। কিন্তু বর্তমানে জেলেদের জালে এক-দুটির বেশি বড় ইলিশ ধরা পড়ছে না। কেউ কেউ ৪-৫টি জাটকা নিয়েই ঘাটে আসেন। এতে করে আমরা ঢাকায় মাছ পাঠাতে পারছি না।


    তিনি বলেন, ‘ঢাকার পাইকাররা অনেক চাপ দিচ্ছে কিন্তু কিছু করার নেই। নদীতে মাছ না পাইলে মাছ পাঠাবো কীভাবে।’

    ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম আজহারুল ইসলাম জানান, বর্তমানে জেলেরা নদীতে আশানুরূপ ইলিশ পাচ্ছেন না। তবে আমরা আশা করছি, এ মাসের শেষের দিকে বা সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে জেলেরা আশানুরূপ ইলিশ শিকার করতে পারবেন।


    এইচেকআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ