ঢাকা রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

Motobad news

পুলিশ ভেরিফিকেশনের পর সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের যোগদান 

পুলিশ ভেরিফিকেশনের পর সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের যোগদান 
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) জারি করা বিজ্ঞপ্তি থেকে প্রাথমিকভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগে পুলিশ ভেরিফিকেশনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তাই পুলিশ ভেরিফিকেশন যেন সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হয় সে বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিভাগের সচিবকে অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানান এনটিআরসিএর সচিব ড. এ টি এম মাহবুব-উল করিম।

এদিকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে ৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ফল বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) রাতে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে এনটিআরসিএ।

জানা যায়, পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষ হওয়ার পরই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। তাই চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ পেতে আরও দুই মাস অপেক্ষা করতে হবে।

এর আগে ১৫ জুলাই বেলা ১১টার দিকে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। সেদিন তিনি বলেন, ‘আজ সন্ধ্যা থেকে প্রার্থীরা টেলিটকের এসএমসের মাধ্যমে ফল পাবেন। এ ছাড়া, এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটেও ফল প্রকাশ করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫৪ হাজার শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দিতে আবেদনপ্রক্রিয়া শেষ করা হলেও আদালতে মামলার কারণে আবেদনকারীদের ফলাফল এতদিন প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক ৫১ হাজার ৭৬১টি পদে নিয়োগ দেয়া হবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনটিআরসিএর সচিব ড. এ টি এম মাহবুব-উল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষ করে চূড়ান্ত নিয়োগের সুপারিশপত্র প্রেরণ করা হবে। প্রার্থীদের পুলিশ ভেরিফিকেশনের রিপোর্ট হাতে এলে আমরা চূড়ান্ত নিয়োগের জন্য প্রার্থীদের সুপারিশপত্র দেব। এরপর এই সুপারিশপত্র নিয়ে প্রার্থীরা নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানে যোগদান করবে। আমাদের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষ করার জন্য দুই মাসের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এতে ৫১ হাজার ৭৬১টি পদে সুপারিশ করার কথা থাকলেও সুপারিশ করা হয়েছে ৩৮ হাজার ২৮৬ জন প্রার্থীকে। এর মধ্যে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ৩৪ হাজার ৬১০ জন এবং ননএমপিভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ৩ হাজার ৬৭৬ জন। আর ৮ হাজার ৪৪৮টি পদে কোনো আবেদন না পাওয়ায় এবং ৬ হাজার ৭৭৭টি নারী কোটা পদে প্রার্থী না পাওয়ায় মোট ১৫ হাজার ৩২৫টি পদে ফলাফল দেয়া সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য, এর আগে শিক্ষক নিবন্ধনের ১ থেকে ১২তম পর্যন্ত পাস করেও চাকরি না পাওয়া ২ হাজার ৫০০ জনকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে এনটিআরসিএকে সুপারিশ করে রায় দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। তবে সে রায় ২৮ জুন বাতিল করেন আপিল বিভাগ।


এমবি
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন