ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ'লীগ নেতা হিরশিৎ ও সঞ্জিত মন্ডল বিরুদ্ধে সাতলায় মন্দিরের জমি দখলের অভিযোগ   ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৮৬টি ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৩৪৯০ যাত্রী মমতা ব্যানার্জীকে ছুরিকাঘাতের চেষ্টা স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল চেয়ে রিট হাইকোর্টের কার্যতালিকা থেকে বাদ মার্কিন অস্ত্রেও সুরক্ষা নেই, সৌদি আরবকে নাস্তানাবুদ করছে হুথিরা কলাপাড়ায় গর্ভবতী নারীকে মারধর ও সন্তান হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার আধুনিক বাদ্যযন্ত্রের প্রভাবে ঢাক-ঢোল কারিগরদের ব্যবসায় ভাটা কুয়াকাটায় মাদক সেবনের অপরাধে দুই চালকে কারাদণ্ড দেশ প্রেমের জায়গা থেকে আবহমান সংস্কৃতি ধরে রাখব: বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি বোরহানউদ্দিনে ‘দরকষাকষি করে ঘুষ নেন’ ভূমি কর্মকর্তা
  • ব্যস্ততা নেই কামারশালায় 

    ব্যস্ততা নেই কামারশালায় 
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    আর মাত্র কয়েক দিন বাকি ঈদুল আজহার । তবে ঈদকে সামনে রেখে দৌলতখানে কামারশালায় নেই কোনো ব্যস্ততা। ক্রেতাদেরও তেমন কোন ভিড় দেখা যায়নি। যেখানে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কামারশালাগুলোতে টুংটাং শব্দ লেগেই থাকতো । বর্তমানে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে সরকারের কঠোর লকডাউনের মধ্যে ক্রেতা পাওয়া নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন কামাররা।’ 

    উপজেলার বিভিন্ন কামারশালা ঘুরে দেখা গেছে, আগের মতো ব্যস্ততা নেই কামারদের। লকডাউনের মধ্যে কয়েকটি কামারশালা খোলা থাকলেও, কাজ নেই । তবে স্বাভাবিক পরিবেশে এক মাস আগে থেকেই কামারশালায় হাতিয়ার বানানোর কাজ শুরু হতো। কামারশালার পাশ দিয়ে গেলেই শোনা যেত টুংটাং আর লোহা গরম করা ভাতির শব্দ। কিন্তু এবারের চিত্র পুরোপুরি ভিন্ন। 

    উপজেলার প্রাণকেন্দ্র বিউটি রোড এলাকা, পৌর শহরের দক্ষিণ মাথা, নুর মিয়ারহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় কামারশালা রয়েছে। সেখানে কামাররা দা, ছুরি, কোপতা তৈরির কাজ করেন। ঈদুল আযহা সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করতেন কামাররা। কিন্তু এখন তাদের হাতে কাজ নেই। কামারশালায় অলস সময় পার করছেন তারা। 

     দৌলতখান পৌরসভা ৩ নম্বর ওয়ার্ডের য্বুরাজ কর্মকার জানান, ‘এ বছরও ব্যবসার সময়টাতে লকডাউন। ঈদ আসলে তাদের কাজের অনেক চাপ থাকতো , কিন্তু এবার তাদের তেমন কোন কাজ নেই। তিনি আরো বলেন, ‘ঈদের এক মাস আগে থেকেই দা, ছুরি, বটি, চাপাতিসহ নানা হাতিয়ার তৈরি করা শুরু হতো। গত বছর এসময় বিভিন্ন হাতিয়ার বিক্রি করে দৈনিক ৪ থেকে ৫হাজর টাকা সেল হতো। এখন দৈনিক ১হাজার টাকারও হাতিয়ার বিক্রি হয়না। নেই কাজের ব্যস্ততা। সেই সঙ্গে কামারশালার সামনে বিক্রি করার জন্য সাজানো থাকতো পশু কোরবানির বিভিন্ন সরঞ্জাম আর বিক্রি শুরু হতো এক সপ্তাহ আগে থেকেই। কিন্তু এ বছর তেমন ক্রেতাও নেই, তাই কাজ পাওয়া যাচ্ছে না। 

    লকডাউনের কারণে ক্রেতারা আসতে পারছেন না। ফলে কাজ অর্ধেকে নেমে এসেছে, এতে  করে কোনোরকমে চলছে তার কামারশালা।’ অমৃত লাল নামে এক কর্মকার জানালেন, ‘কোরবানির আগের মাস থেকেই ব্যবসা চাঙ্গা হতো। কিন্তু এ বছর তাদের কাজে কোন ব্যস্ততা নেই। তিনি আরো বলেন, জিনিসপত্রের দামও বেড়ে গেছে, তার আগে থেকেই হাতিয়ার তৈরি করতে সাহস পাওয়া যাচ্ছে না। ভাতি ব্যবহারে কয়লা মজুদ করে রাখতে হতো, এবার সেটি নেই। তিনি আরো বলেন, দা ও বটি বানাতে ৫০০, বড় ছুরি ৬০০ টাকা, শান দেওয়ার মজুরি প্রকার ভেদে ৮০ ও ১০০টাকা নেওয়া হচ্ছে। তবে তারা এবছর প্রশাসনের সহায়তা কামনা করেন।’
     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ