ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেত্রী নাসরিন স্পিকারের সঙ্গে মজিবর রহমান সরোয়ার'র সৌজন্য সাক্ষাৎ ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারকারীরা গণতন্ত্রের শত্রু: আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ এখন থেকে রাতের ভোটে কেউ জনপ্রতিনিধি হতে পারবে না: জহির উদ্দিন স্বপন বরিশালে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৭ মঠবাড়িয়ায় সাবেক সংসদ সদস্য শামিম শাহনেওয়াজের বাবা মজিবুর রহমানের দাফন সম্পন্ন ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে : ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এসআরবি’র অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের দেশ: গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জনের মধ্যেই ইশরাকের বার্তা
  • ফোন পেয়ে খাদ্যসামগ্রী নিয়ে বৃদ্ধা নারীর বাড়িতে ইউএনও

    ফোন পেয়ে খাদ্যসামগ্রী নিয়ে বৃদ্ধা নারীর বাড়িতে ইউএনও
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ঝালকাঠি সদর উপজেলার উদচড়া গ্রামের জবেদা খাতুন (৬০) ঠিকমতো দেখেন চোখে না। মানুষের কাছে হাত পেতে যা পান, তা দিয়েই চলে তিন বেলার আহার। করোনাকালে কঠোর লকডাউনে আটকে পড়েছেন তিনি। খাবারও শেষ। অনাহারেও ছিলেন একদিন। অসহায় এ নারী এক যুবকের সাহায্য নিয়ে ফোন করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবেকন নাহারের কাছে। 

    শনিবার বিকেলে ফোন পেয়েই ছুটে যান ইউএনও ওই নারীর কাছে। পরম মমতায় তাঁর হাতে তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্যসামগ্রী। খাদ্যসামগ্রী পেয়ে চোখে অশ্রু ধরে রাখতে পারেননি জবেদা খাতুন। জানা যায়, জবেদা খাতুন বাড়িতে একাই থাকেন। সদর উপজেলার উদচড়া গ্রামের মৃত নেছার উদ্দীনের স্ত্রী তিনি। 

    স্বামীর মৃত্যুর পরে অসহায় হয়ে পড়েন। মানুষের কাছে হাত পেয়ে নিজের খাবার জোগান। রাস্তায় হেঁটে মানুষের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেই দিন কেটে যায়। বিকেলে বাড়ি ফিরে রান্না করে খেয়ে ঘুমিয়ে যান। বয়স হয়ে যাওয়ায় এখন তিনি চোখে কম দেখেন। বর্তমানে সরকার ঘোষিত চলমান কঠোর লকডাউনে ঘরের বাইরে বের হতে না পেরে খাদ্যসংকটে ভুগছিলেন জবেদা খাতুন। ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবেকুন নাহার বলেন, বৃদ্ধার মুঠোফোন থেকে আমার ফোনে একটি কল আসে। আমি ফোন রিসিভ করতেই বৃদ্ধা আমার কাছে খাদ্যসহায়তা চান। আমি বিষয়টি আমলে নিয়ে খাদ্যসামগ্রী নিয়ে তাঁর বাড়িতে গিয়ে হাতে তুলে দেই। এ সময় তিনি তাঁর ঘরের দুরবস্থার কথা বলেন। এ বয়সে তাঁর চোখে দেখতে সমস্যা হয়। আমি তাকে একটি নতুন ঘর ও চোখের চিকিৎসার জন্য ব্যক্তিভাবে সহায়তা করবো। কোন পরিবারের খাদ্য নেই এমন খবর পেলেই সেখানে খাবার পৌঁছে দেওয়া হবে।  


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ