এবার তালা দেওয়া হলো বরিশালের সিভিল সার্জনের কক্ষে

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কক্ষে তালা দেওয়ার পর এবার তালা দেওয়া হলো সিভিল সার্জনের কক্ষে।
রোববার (২৬ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় সচেতন নাগরিক কমিটির ব্যানারে সিভিল সার্জন এর কক্ষে এ তালা দেয়া হয়।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ জুলাই আগস্ট আন্দোলন চলাকালে সিভিল সার্জন এর পদায়নকারী ডা: মনিরুজ্জামান আহতদের কোন ধরনের সহযোগিতা করেননি। এই সময় ডাক্তার মনিরুজ্জামান গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন।
এমনকি ৫ আগস্ট পরবর্তী আহত নিহতদের তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ দেয়া হলেও তিনি পালন করেননি।
ডাক্তার মনিরুজ্জামান আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর দোসর হিসেবেই কাজ করেছেন। যার প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে। এ কারণে কোনভাবেই তারা বরিশাল সিভিল সার্জন পদে তাকে যোগদান করতে দেবেন না। কর্মসূচি প্রথম পর্যায়ে হিসেবে তারা সিভিল সার্জন এর কক্ষে তালা লাগিয়ে দেন। এরপর অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। সিভিল সার্জন এর পদায়ন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত এ আন্দোলন চলবে বলে জানান তারা।
আন্দোলনকারীদের এক কথা ডঃ মনিরুজ্জামানকে কোনভাবেই বরিশালে সিভিল সার্জন হিসেবে যোগদান করতে দেওয়া হবে না। এখানে সেবাদানকারী এমন একজন ব্যক্তিকে দেওয়া হোক যার মাধ্যমে বরিশাল জেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো থেকে রোগীরা ভালো স্বাস্থ্যসেবা পাবে এবং গুণগত মান রক্ষা পাবে। যাকে নিয়ে কোন বিতর্কের সৃষ্টি হবে না।
তারা আরো বলেন, বর্তমান সরকার তেলমর্দনকারী ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর ছিল তাদের বিভিন্ন জায়গায় পদায়ন করছে। এ কারণে আন্দোলন হচ্ছে।
এ থেকে পরিত্রাণ গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে কর্মকর্তা নিয়োগের দাবি জানান। এতে করে ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসরা কোনভাবেই নিয়োগ পাবেনা বলে তাদের দাবি। এ প্রক্রিয়া অবলম্বন না করায় বারবার আন্দোলন করতে হচ্ছে বলে জানান আন্দোলনকারীরা।
প্রসঙ্গত ইতিপূর্বে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল ডাক্তার মনিরুজ্জামান শাহীনকে। তাকেও ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর আখ্যা দিয়ে আন্দোলন করে তার কক্ষে তালা লাগিয়ে পদায়ন বাতিল করা হয়।
এইচকেআর