গুরুত্বপূর্ণ ৫ পরীক্ষা না-ও হতে পারে

প্রতিবছর সাধারণত নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে অষ্টম শ্রেণির সমাপনী জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি), জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি), প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি), ইবতেদায়ি সমাপনী এবং স্কুলগুলোর বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তবে এ বছর করোনা মহামারির কারণে এক দিনও ক্লাস করানো সম্ভব হয়নি। এরই মধ্যে অর্ধেক সময় পার হয়ে গেছে। বর্তমানে করোনা সংক্রমণের যে ঊর্ধ্বগতি তাতে শিগগিরই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সম্ভাবনা কম। ফলে এবার এই পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা না-ও হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। একই সঙ্গে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সম্ভাবনাও কমছে।
এদিকে পাবলিকসহ গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা নিতে না চাইলে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতির প্রয়োজন হবে। এ অবস্থায় শিগগিরই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব না হলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ বিষয়ে সারসংক্ষেপ পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে শিক্ষার দুই মন্ত্রণালয়। তবে পরীক্ষা না হলেও অটো পাস দেওয়া হবে না। অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে।
গত মঙ্গলবার শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানানো হবে। আমরা জানি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা ভীষণ উদ্বেগের মধ্যে আছে। আমরা এটা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করছি। খুব শিগগির সিদ্ধান্তটি জানিয়ে দেব। বেশি দিন আর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে থাকতে হবে না।’
গত শনিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, ‘পিইসি পরীক্ষার ব্যাপারে এখনো আমরা সিদ্ধান্ত নিইনি। আমাদের হাতে সময় আছে। যদি আরো কিছুদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব না হয়, তাহলে বিকল্প চিন্তা করা হবে। এখন আমাদের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাড়ির কাজ পৌঁছে দিচ্ছেন। সে কাজেই আমরা বেশি জোর দিচ্ছি।’
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‘আমরা এখন অ্যাসাইনমেন্টের ওপর জোর দিচ্ছি। যদি ডিসেম্বর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা না যায় তাহলে বিকল্প কী হতে পারে, সেই পরিকল্পনাও করছি। পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
এমবি