বরিশালে বীর মুক্তিযোদ্ধা পুলিশ সদস্যদের সংবর্ধনা

মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী পুলিশ সদস্যদের অবদান স্মরণে বীর মুক্তিযোদ্ধা পুলিশ সদস্যদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। সোমবার সকাল ১০ টায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের আয়োজনে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়। মেট্রোপলিটন পুলিশের সদরদপ্তর সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ কমিশনার জিহাদুল কবির।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হাসান শওকত আলী, উপ-পুলিশ কমিশনার নজরুল হোসেন, উপ-পুলিশ কমিশনার জুলফিকার আলী হায়দার, উপ-পুলিশ কমিশনার অ্যাডিশনাল ডিআইজি (পদোন্নতি প্রাপ্ত) জাকির হােসেন মজুমদার, উপ পুলিশ কমিশনার অ্যাডিশনাল ডিআইজি (পদোন্নতি প্রাপ্ত) আলী আশরাফ ভুঞা, উপ-পুলিশ কমিশনার এস এম তানভীর আরাফাত, উপ-পুলিশ কমিশনার খাঁন মুহাম্মদ আবু নাসের, উপ-পুলিশ কমিশনার বিএম আশরাফ উল্যাহ তাহের, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার এসপি (পদোন্নতি প্রাপ্ত) রুনা লায়লা সহ বিএমপি'র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
বীর মুক্তিযোদ্ধা পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্য পুলিশ কমিশনার জিহাদুল কবির বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের রয়েছে একটি গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। পাকিস্তানি বাহিনী ২৫ মার্চ কালরাত্রে “অপারেশন সার্চলাইট ” নামে ঢাকার নিরিহ মানুষদের ওপর যখন হত্যাযজ্ঞ চালায় তখন রাজারবাগের পুলিশ সদস্যরাই পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে বুলেট ছুড়ে সর্বপ্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী রাজারবাগে ধংসযজ্ঞ চালানোর পরে রাজারবাগ থেকে একটি ওয়্যারলেস বার্তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ায় সারা দেশের পুলিশ বাহিনী জনগনকে ঐক্যবদ্ধ করে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন।
তিনি বলেন, আমরা বীর পুলিশ মুক্তিযোদ্ধাদের উত্তরসূরী, এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এসময় মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন বিএমপি কমিশনার।
পরে বীর মুক্তিযোদ্ধা পুলিশ সুপার (অবঃ) মাহাবুব উদ্দিন আহমেদ, বীর বিক্রম ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধা পুলিশ সদস্যদের মধ্য থেকে কয়েকজন মুক্তিযুদ্ধকালীন তাদের বীরত্বপূর্ণ ও দুঃসাহসিক অভিযানের বর্ণনাসহ মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন।
অনুষ্ঠানে ৩৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা পুলিশ সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
এইচকেআর