ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • আওয়ামী লীগ ও জামায়াত নিয়ে সদর উপজেলা বিএনপির কমিটি গঠন! বরিশালসহ দেশের আটটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝড়ের শঙ্কা ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সোবার্স মারা গেছেন বরিশালে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের বর্ণাঢ্য মোটর শোভাযাত্রা মাদকের সরবরাহ লাইন নির্মূল করার দায়িত্ব রাষ্ট্রকেই নিতে হবে: চরমোনাই পীর প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী জিয়াউদ্দিন হায়দারকে ফুলেল শুভেচ্ছা দাপুটে জয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ চালার টিন খুলে ব্যবসায়ীর ঘরে চুরি, ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট শিক্ষক আবু তৈয়ব কর্মস্থলে প্রায় দুই বছর অনুপস্থিত থেকেও পেলেন পদোন্নতি  ত্রাণ বিতরণের মঞ্চ ভেঙে পড়ে গেলেন অর্থমন্ত্রী
  • পৃথক ধর্ষণ মামলায় দুই ধর্ষকের যাবজ্জীবন 

    পৃথক ধর্ষণ মামলায় দুই ধর্ষকের যাবজ্জীবন 
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বরিশালে ধর্ষণের ১০ ও ১১ বছর পর পৃথক মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাদের ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    সোমবার বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ইয়ারব হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।  রায় ঘোষণার সময় দুই আসামি এজলাসে উপস্থিত ছিলেন বলে  নিশ্চিত করেছেন বেঞ্চ সহকারী হুমায়ুন কবির।

    দণ্ডিতরা হলেন, আগৈলঝাড়া উপজেলার আহতি বাটরা গ্রামের সুবীর হালদারের ছেলে রজত হালদার (৩৬) ও উজিরপুর উপজেলার কচুয়া গ্রামের মৃত আরজ আলী বালীর ছেলে আবুল হোসেন বালী (৪৫)।

    পৃথক দুই মামলার বরাতে বেঞ্চ সহকারী হুমায়ুন কবির জানান, ২০১২ সালের ৫ জুন আহতী বাটরা গ্রামের বাড়ির পাশের ধানক্ষেতে গরু তাড়াতে যায় ১১ বছর বয়সী শিশু কন্যা। 

    ক্ষেতের পাশে থাকা রজত শিশু কন্যার মুখ চেপে ধরে পাশের পাটক্ষেতে নিয়ে যান। সেখানে শিশু কন্যাকে ধর্ষণ করেন রজত। শিশুকন্যার চিৎকারে তিন সহপাঠী শিশু কন্যার একজনের বাবা এসে তাকে উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় শিশু কন্যা বাদী হয়ে আগৈলঝাড়া থানায় মামলা করে।  

    থানার এসআই ইদ্রিস আলী ২০১২ সালের ৪ আগস্ট রজতকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট জমা দেন। বিচারক সাত জনের সাক্ষ্য নিয়ে রায় দিয়েছেন।  

    অপরদিকে ২০১৩ সালের ৯ এপ্রিল উজিরপুরের নয় বছর বয়সী মাদ্রাসা ছাত্রীকে খাবারের প্রলোভন দিয়ে দোকানের পেছনে নিয়ে যান দণ্ডিত দোকানি আবুল হোসেন বালী। পরে সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন। 

    এ সময় এক ক্রেতা এসে দোকানি আবুলকে না পেয়ে পেছনে গেলে, তিনি শিশুকে ধর্ষণ করতে দেখে মাদ্রাসায় গিয়ে জানিয়ে দেন। পরে মাদ্রাসার শিক্ষকরা গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। 

    এ ঘটনায় শিশুর বাবা বাদী হয়ে মামলা করেন। উজিরপুর মডেল থানার এসআই হুমাউন কবির একই বছরের ২৩ জুন আদালতে চার্জশিট জমা দেন। বিচারক চারজনের সাক্ষ্য নিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ