ঢাকা বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে : বার্নিকাট দীর্ঘ ৯ মাস অনুপস্থিত, প্রকৌশলীকে খুঁজতে থানায় জিডি সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত অন্তত ২০০০ : ইরান ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে কাভার্ডভ্যানের চাপায় নিহত ৩ বরগুনা‍য় নারী কর্মীদের ধাওয়া, প্রতিবাদ করায় জামায়াত নেতার ওপর হামলা ১ কোটি লিটার সয়াবিন, ৪০ হাজার টন ইউরিয়া কিনবে সরকার নলছিটিতে প্যানেল চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ মঠবাড়িয়ায় অবৈধ ইটভাটাকে এক লাখ টাকা জরিমানা বোরহানউদ্দিনে মুক্তিপণের বিনিময়ে জিম্মি দশা থেকে মুক্তি পেলেন ৪ জেলে  আওয়ামী সরকারের আমলে যেসব কর্মকাণ্ড নির্বাচন ব্যবস্থা কলুষিত করে
  • ডিম ও ব্রয়লার মুরগির বাজারে অস্থিরতা

    ডিম ও ব্রয়লার মুরগির বাজারে অস্থিরতা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    এক মাস ধরে ডিম ও ব্রয়লার মুরগির বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সরবরাহ ঠিক থাকলেও বাড়ছে দাম। সর্বশেষ সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডজন (১২ পিস) ফার্মের ডিমের দাম ১০ টাকা বেড়ে ১৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এ সময়ের মধ্যে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ২০ টাকা বেড়ে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

    পাশাপাশি খুচরা বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি ছোলা, ডাল, ভোজ্যতেল ও আটার দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে। ফলে এসব পণ্য কিনতে ক্রেতার বাড়তি টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে। 

    বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ানবাজার, মালিবাগ কাঁচাবাজার ও নয়াবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

    খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৃহস্পতিবার প্রতি হালি ফার্মের ডিম ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। যা গত সপ্তাহে ১৪০-১৪১ টাকা দাম ছিল। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। 

    দাম বাড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে কারওয়ানবাজারের খুচরা বিক্রেতা মো. নাজিম বলেন, বাজারে কিন্তু ডিম কিংবা মুরগির কোনো সংকট নেই। পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়ানোর কারণেই মূলত বাজারে এমন অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এক দিনেই এমন অবস্থা করা হয়নি। ধাপে ধাপে দাম বৃদ্ধি করে অতি মুনাফা লুটে নেওয়া হচ্ছে। 

    বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে আরও জানা যায়, ভুচরা বাজারে প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকা। যা সাত দিন আগেও ৯০ টাকা ছিল। ছোট দানার প্রতি কেজি মশুর ডাল ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা সাত দিন আগে ১৩৫ টাকা ছিল। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হয়েছে ১৭৫ টাকা। যা গত সপ্তাহে ১৭২ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি খোলা আটা ৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। যা সাত দিন আগে বিক্রি হয়েছে ৫৮ টাকা।

    রাজধানীর নয়াবাজারে পণ্য কিনতে আসা মো. জিসান বলেন, ভাবা যায়- বাজারে এখনই প্রতি কেজি ছোলা ৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে! যা গত রমজান মাসজুড়ে ৮০ টাকায় কিনেছি। দুই মাস আগেও যা দাম ছিল ৭৫ টাকা। রোজা আসার আগেই কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সব ধরনের মাংসের দাম বাড়ানো হয়েছে। ব্রয়লার মুরগির কেজি কিনতে হচ্ছে ২২০ টাকা। এ কোন জায়গায় আমরা বসবাস করছি। আর কিছু জোগার করতে না পারলেও ডিম ভেজে ভাত খাব তারও উপায় নেই। এক পিস ডিমের দাম ১৩ টাকা। কিন্তু বাজারে পণ্যের দাম নিয়ে কোনো অনিয়ম হচ্ছে কিনা- এগুলো দেখার কেউ নেই। মনে হচ্ছে, তদারকি সংস্থাগুলো অসাধু ব্যবসায়ীদের পণ্যের দাম বাড়াতে সুযোগ দিচ্ছে। আর নিত্যপণ্যের আগুন দামে কপাল পুড়ছে ভোক্তার।

    জানতে চাইলে বাজার তদারকি সংস্থা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, বাজারে পণ্যের দাম সহনীয় রাখতে প্রতিদিন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তদারকি করা হচ্ছে। কোনো অনিয়ম পেলে সঙ্গে সঙ্গে অপরাধ ঠেকিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। 

    তিনি জানান, শিগগিরই গত বছরের মতো ডিম ও ব্রয়লার মুরগির খুচরা বাজার, পাইকারি ও খামার পর্যায়ে অভিযান পরিচালনা করা হবে। কোনো অনিয়ম পেলে কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে।

    সুত্র : যুগান্তর


    এএজে
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ