ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • পুলিশের হেফাজত থেকে কয়েকঘন্টা পর মুক্তি পেলেন জাপা নেতা হাবুলসহ ৬ জন ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলো হাসানুল হক ইনুকে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত বিএনপি নেতা জিয়া সিকদার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ'লীগ নেতা হিরশিৎ ও সঞ্জিত মন্ডল বিরুদ্ধে সাতলায় মন্দিরের জমি দখলের অভিযোগ   ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৮৬টি ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৩৪৯০ যাত্রী মমতা ব্যানার্জীকে ছুরিকাঘাতের চেষ্টা স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল চেয়ে রিট হাইকোর্টের কার্যতালিকা থেকে বাদ মার্কিন অস্ত্রেও সুরক্ষা নেই, সৌদি আরবকে নাস্তানাবুদ করছে হুথিরা কলাপাড়ায় গর্ভবতী নারীকে মারধর ও সন্তান হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার আধুনিক বাদ্যযন্ত্রের প্রভাবে ঢাক-ঢোল কারিগরদের ব্যবসায় ভাটা
  • দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে চলবে বিচার

    চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা : আসামিপক্ষের আবেদন খারিজ

    চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা : আসামিপক্ষের আবেদন খারিজ
    ছবি- চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী।
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলাটি দায়রা আদালতে ফেরত চেয়ে আসামিপক্ষের করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। আজ বুধবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক জাকির হোসেন এ আদেশ দেন।

    সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) সাদিয়া সুলতানা শিল্পী বলেন, 'দ্রুত বিচার আইন ২০০২ এর ১০(৪) ধারা মোতাবেক ট্রাইব্যুনালে এ মামলার বিচারের সময় শেষ। এজন্য আসামি আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরীর পক্ষে তার আইনজীবী মামলাটি দায়রা আদালতে ফেরত পাঠানোর আবেদন করেন।

    আদালত আসামিপক্ষের আবেদন খারিজ করে দেন। সেই সঙ্গে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৮ আগস্ট দিন ধার্য করেন। '
    এ মামলার আসামিরা হলেন- আদনান সিদ্দিকী, ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজ, তারেক সাঈদ মামুন, সেলিম খান, হারুন অর রশীদ ওরফে লেদার লিটন ওরফে বস লিটন, ফারুক আব্বাসী, শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন ও আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরী।

    ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীতে ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী গুলশান থানায় মামলা করেন। সোহেল চৌধুরী নিহত হওয়ার পরপরই এই হত্যাকাণ্ডে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।

    মামলায় অভিযোগ করা হয়, হত্যাকাণ্ডের কয়েক মাস আগে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে সোহেল চৌধুরীর কথা কাটাকাটি হয়। এর প্রতিশোধ নিতে সোহেল চৌধুরীকে হত্যা করা হয়। ঘটনার রাতে সোহেল তার বন্ধুদের নিয়ে ট্রাম্পস ক্লাবে ঢোকার চেষ্টা করেন। তাকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। রাত আড়াইটার দিকে আবারও তিনি ঢোকার চেষ্টা করেন। তখন সোহেলকে লক্ষ্য করে ইমন, মামুন, লিটন, ফারুক ও আদনান গুলি চালান। আসামিদের মধ্যে আদনান খুনের পরপরই ধরা পড়েছিলেন।

    মামলাটি তদন্ত শেষে ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী নয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর দুই বছর পর মামলাটির বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ঢাকার দুই নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। ওই বছরই আসামিদের মধ্যে একজন হাইকোর্টে আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৩ সাল থেকে দীর্ঘ ১৯ বছর হাইকোর্টের আদেশে মামলাটি স্থগিত ছিল। সর্বশেষ গত ২৭ ফেব্রুয়ারি স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হলে ফের মামলাটিতে সাক্ষ্যগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ