ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে : বার্নিকাট দীর্ঘ ৯ মাস অনুপস্থিত, প্রকৌশলীকে খুঁজতে থানায় জিডি সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত অন্তত ২০০০ : ইরান ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে কাভার্ডভ্যানের চাপায় নিহত ৩ বরগুনা‍য় নারী কর্মীদের ধাওয়া, প্রতিবাদ করায় জামায়াত নেতার ওপর হামলা ১ কোটি লিটার সয়াবিন, ৪০ হাজার টন ইউরিয়া কিনবে সরকার নলছিটিতে প্যানেল চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ মঠবাড়িয়ায় অবৈধ ইটভাটাকে এক লাখ টাকা জরিমানা বোরহানউদ্দিনে মুক্তিপণের বিনিময়ে জিম্মি দশা থেকে মুক্তি পেলেন ৪ জেলে  আওয়ামী সরকারের আমলে যেসব কর্মকাণ্ড নির্বাচন ব্যবস্থা কলুষিত করে
  • দুধ উৎপাদনের জন্য নেওয়া ঋণ পরিশোধের মেয়াদ বাড়ল

    দুধ উৎপাদনের জন্য নেওয়া ঋণ পরিশোধের মেয়াদ বাড়ল
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় দুধ উৎপাদনের জন্য খামারিদের ৪ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়া হয়েছিল। এই ঋণ পরিশোধের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। খামারি ও গাভি লালন-পালনকরীরা ঋণ পরিশোধে আগামী ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় পেয়েছেন।

    সোমবার (২৭ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ঋণ বিভাগ এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে।

    সার্কুলারে বলা হয়েছে, বিতরণ করা ঋণের বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দেওয়া ব্যাংকগুলোর পুনঃঅর্থায়ন করা ঋণ আদায় ও সমন্বয় এবং ব্যাংকগুলোর ক্ষতিপূরণ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সুদ ভর্তুকি প্রদানসহ স্কিমটির মেয়াদ আগামী ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এর আগে এ সংক্রান্ত  ইস্যু করা উক্ত স্কিম সংক্রান্ত সার্কুলারের অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।

    জানা গেছে, এই ঋণ বিতরণ করতে গিয়ে ব্যাংক ও বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বাজারের প্রচলিত সুদের তুলনায় কম সুদে ঋণ বিতরণ করায় তাদের যে পরিমাণ সুদ ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে, সেই পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংক ভর্তুকি হিসেবে দেবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া সুবিধার ফলে এখন ৪ শতাংশ সুদে গাভি-বকনা বাছুর কেনা ও লালন-পালনের জন্য ব্যাংক ও বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ঋণ নিতে পারবেন দুধ উৎপাদন এবং কৃত্রিম প্রজননের সঙ্গে জড়িত খামারিরা। একক ও যৌথ নামে এ ঋণ নেওয়া যাবে। একটি বকনা বাছুর কেনার জন্য ৪০ হাজার টাকা এবং লালন-পালনের জন্য ১০ হাজার টাকা করে ঋণ নেওয়া যায়। ফলে একজন খামারি সর্বোচ্চ চারটি বকনা বাছুরের জন্য সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা ঋণ নিতে পারেন। এ ঋণ পুরোপুরি জামানতবিহীন।

    দেশকে দুধে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার জন্য ২০১৫ সালে ৫ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়ার লক্ষ্যে একটি পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচি হাতে নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই সময় এ সংক্রান্ত নীতিমালায় ঋণের সুদহার নির্ধারণের ক্ষেত্রে বলা হয়েছিল, এ কর্মসূচির আওতায় ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংক রেটে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা পাবে (বর্তমানে ব্যাংক রেট ৫ শতাংশ, যা পরিবর্তনশীল)। অর্থাৎ গ্রাহক পর্যায়ে তখন এই ঋণের সুদের হার ছিল সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ। 

    ওই নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিতরণ করা ঋণের বিপরীতে সুদ ক্ষতি বা ভর্তুকি বাবদ বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ দাবি করতে পারত। পরবর্তীতে এ হার এক শতাংশ কমিয়ে ৪ শতাংশ করা হয়।

    ঋণের তহবিল জোগান দিতে ২০০ কোটি টাকার একটি তহবিলও গঠন করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কর্মসংস্থানের কথা বিবেচনা করে দুধের আমদানিনির্ভরতা কমাতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।


    এএজে
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ