ঢাকা শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বঙ্গভবনে অফিস, স্পিকারের বাসভবনে থাকবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বাবুগঞ্জে গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক বরিশালে বিএনপির কমিটি বাতিলের দাবিতে কালো পতাকা প্রদর্শন গৌরনদীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগ নেতার নির্যাতন সইতে না পেরে নারী ইউপি সদস্যর আত্মহত্যা নলছিটিতে গাঁজাসহ ছাত্রদল নেতা আটক ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীতে বরিশালের দুই ছাত্রনেতা কুয়াকাটায় ছাত্রদল ও যুবদলের হামলায় আহত সাংবাদিক  অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ বরিশাল নগরীর ২৭নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে মতবিনিময় সভা স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় লালমোহনে আনন্দ মিছিল
  • রুশ জ্বালানির বড় ক্রেতা জার্মানি

    রুশ জ্বালানির বড় ক্রেতা জার্মানি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    রাশিয়া ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরু করে ২৪ ফেব্রুয়ারি। এর পর থেকে দেশটির ওপর পশ্চিমা দেশগুলো নানা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার কবল থেকে এখনও অনেকাংশে মুক্ত রুশ জ্বালানি খাত। আর এর মাধ্যমেই যুদ্ধের প্রথম দুই মাসে দেশটি আয় করেছে বিপুল অর্থ। এ সময়ের মধ্যে মস্কোর কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি আমদানি করেছে জার্মানি।

    স্বাধীন গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ার বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখান থেকে এ তথ্য জানা যায়। খবর ডেইলি সাবাহর। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেনে আগ্রাসনের পর থেকে এ পর্যন্ত রুশ জ্বালানি কিনেছে এমন দেশের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে জার্মানি।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৪ ফেব্রুয়ারির পর থেকে জীবাশ্ম জ্বালানি রপ্তানি করে রাশিয়া আয় করেছে ৬৩ বিলিয়ন ইউরো (৬৬.৫ বিলিয়ন ডলার)। 

    জাহাজ চলাচল ও পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহের মাসিক তথ্য ও আনুমানের ওপর নির্ভর করে সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেনে যুদ্ধের প্রথম দুই মাসে জার্মানি জীবাশ্ম জ্বালানি অধিকাংশই প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির জন্য রাশিয়াকে ৯.১ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে।

    জার্মান ইনস্টিটিউটি ফর ইকনোমিক রিসার্চের জেষ্ঠ্য জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ক্লাউডিয়া কেমফার্ট। এ বিশেষজ্ঞ গবেষণাটির অংশ নন। তিনি বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে এ পরিসংখ্যানগুলো বিশ্বাসযোগ্য। গত বছর জার্মানি তেল, কয়লা ও গ্যাস আমদানির জন্য ১০০ বিলিয়ন ইউরো খরচ করেছে। এ অর্থের চার ভাগের এক ভাগ গেছে রাশিয়ার পকেটে।

    জার্মান সরকার বলছে, এ পরিসংখ্যান নিয়ে তারা কোনো মন্তব্য করবে না।

    এ ছাড়া তাদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। এর কারণ হিসেবে বলা হয়, এগুলো আসলে জ্বালানি সরবরাহে সম্পৃক্ত কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে আসতে হবে।


    এমইউআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ