ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেত্রী নাসরিন স্পিকারের সঙ্গে মজিবর রহমান সরোয়ার'র সৌজন্য সাক্ষাৎ ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারকারীরা গণতন্ত্রের শত্রু: আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ এখন থেকে রাতের ভোটে কেউ জনপ্রতিনিধি হতে পারবে না: জহির উদ্দিন স্বপন বরিশালে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৭ মঠবাড়িয়ায় সাবেক সংসদ সদস্য শামিম শাহনেওয়াজের বাবা মজিবুর রহমানের দাফন সম্পন্ন ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে : ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এসআরবি’র অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের দেশ: গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জনের মধ্যেই ইশরাকের বার্তা
  • তৃণমূলের জাতীয় কমিটি বিলুপ্ত, নতুন কমিটি ঘোষণা

    তৃণমূলের জাতীয় কমিটি বিলুপ্ত, নতুন কমিটি ঘোষণা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে অনুষ্ঠিত হাই-ভোল্টেজ বৈঠকে তৃণমূলের জাতীয় কমিটির সব পদ বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এর পরিবর্তে ২০ সদস্য বিশিষ্ট নতুন ওয়ার্কিং কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    বৈঠক শেষে সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন দলের বর্ষীয়ান নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কমিটির শীর্ষে রয়েছেন দলের সর্বভারতীয় সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে মমতা দলের মধ্যে নিজের একক কর্তৃত্ব আরও প্রতিষ্ঠা করলেন।

    বৈঠকে উপস্থিত নেতারা জানিয়েছেন, উপস্থিত সব নেতাই  মমতার হাতে দলের দায়িত্ব পরিপূর্ণভাবে অর্পণ করেন। তাদের বক্তব্য, ‘সভানেত্রী দলে শেষ কথা।’

    যে কারণে এই পদক্ষেপ
    তৃণমূলের একাধিক নেতার ব্যাখ্যা, দলের মধ্যে ‘এক ব্যক্তি, এক পদ’ নীতি নিয়ে যে বিরোধ এবং বিতর্ক চলছে, তার জেরেই মমতার ভাইপো অভিষেক তার সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদ ছেড়ে দিতে পারেন এমন গুঞ্জন ছিল। সেই কারণেই এক ধাক্কায় তৃণমূল সভানেত্রী সমস্ত পদ বিলুপ্ত করলেন। অর্থাৎ, কারো পদই যদি না থাকে, তা হলে তিনি পদত্যাগ করবেন কী করে!

    বিতর্ক শুরু হয়েছিল মূলত অভিষেকের প্রণীত ‘এক ব্যক্তি, এক পদ’ নীতি নিয়ে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক নিযুক্ত হওয়ার পর অভিষেক দলের মধ্যে এই নীতি প্রণয়ন করতে চেয়েছিলেন। পরিকল্পনা মোতাবেক কিছু কিছু পদক্ষেপও নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু কলকাতার পৌরভোটের  আগে মেয়র এবং মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের ক্ষেত্রে নীতি থেমে যায়। এক ব্যক্তি, এক পদ নীতির বিরুদ্ধে গিয়েই ফিরহাদকে পৌরভোটের টিকিট দেওয়া হয়।

    তখন থেকেই বিষয়টি নিয়ে দলের অন্দরে জলঘোলা হতে শুরু করে। সম্প্রতি রাজ্যের ১০৮টি পৌরসভার ভোটের জন্য দলের প্রার্থিতালিকা নিয়ে এই দ্বন্দ্ব চরমে ওঠে।  দু’টি ভিন্ন তালিকা প্রকাশ পায়। তার মধ্যে একটি তৈরি করেছিল মমতার ভাইপো অভিষেকের ঘনিষ্ঠ ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাক। অন্যটি করেছিলেন পার্থ-বক্সীরা। দুই তালিকা নিয়ে বিভ্রান্তির সঙ্গে কোন্দল শুরু হয়। মমতা স্পষ্টতই বলে দেন, পার্থ-বক্সীর তৈরি করা তালিকাই চূড়ান্ত। তবে শনিবারের বৈঠকে  এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়নি।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ