ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেত্রী নাসরিন স্পিকারের সঙ্গে মজিবর রহমান সরোয়ার'র সৌজন্য সাক্ষাৎ ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারকারীরা গণতন্ত্রের শত্রু: আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ এখন থেকে রাতের ভোটে কেউ জনপ্রতিনিধি হতে পারবে না: জহির উদ্দিন স্বপন বরিশালে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৭ মঠবাড়িয়ায় সাবেক সংসদ সদস্য শামিম শাহনেওয়াজের বাবা মজিবুর রহমানের দাফন সম্পন্ন ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে : ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এসআরবি’র অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের দেশ: গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জনের মধ্যেই ইশরাকের বার্তা
  • ৯ লাখ মৃত্যুর দুঃখজনক মাইলফলক পেরল যুক্তরাষ্ট্র

    ৯ লাখ মৃত্যুর দুঃখজনক মাইলফলক পেরল যুক্তরাষ্ট্র
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন


    ২০২০ সালে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত করোনায় মোট আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসেবে বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষে থাকা যুক্তরাষ্ট্র শুক্রবার আরও একটি দুঃখজনক মাইলফলক পেরিয়েছে। দেশটিতে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৯ লাখ ২৪ হাজার ৫১৭ জনে।

    যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনাভাইরাস ট্র্যাকারের তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৮ লাখ ছাড়িয়েছিল দেশটিতে। মাত্র দেড় মাসের মধ্যে মোট মৃতের সংখ্যা বাড়ল প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার।

    করোনার সবচেয়ে সংক্রামক ধরন ওমিক্রনের প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো যুক্তরাষ্ট্রেও প্রতিদিনই বাড়ছে এ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, মূল করোনাভাইরাসের চেয়ে অন্তত ৭০ গুন বেশি সংক্রামক হলেও ওমিক্রন ভাইরাসটি ডেল্টা বা অন্যান্য রূপান্তরিত ধরনগুলোর মতো প্রাণঘাতী নয়।

    তবে যুক্তরাষ্ট্রের কোভিড পরিসংখ্যান সে কথা বলছে না। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে করোনায় দৈনিক মৃত্যুর হার এখনও উর্ধ্বগামী এবং কোভিডজনিত অসুস্থতায় গড়ে প্রতিদিন সেখানে মৃত্যু হচ্ছে ২ হাজার ৪০০ জনের।

    যুক্তরাষ্ট্রের রোগ গবেষণা, নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংস্থা সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের পরিচালক রশেলে ওয়ালেনস্কি শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ সম্পর্কে বলেন, ‘দেশে এখনও করোনায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তির হার অনেক বেশি। প্রতিদিনই রোগীর চাপ বাড়তে থাকায় ইতোমধ্যে কিছু অঞ্চলের হাসপাতালসমূহ আর নতুন রোগী ভর্তি করার মতো অবস্থায় নেই।’

    এ পর্যন্ত করোনায় যাদের মৃত্যু হয়েছে- তাদের সবাই রোগটিতে আক্রান্ত হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পর মারা গেছেন। এ কারণে সংক্রমণের উর্ধ্বগতির তথ্য যেমন দ্রুত পাওয়া যায়, সেই তুলনায় এ রোগে মৃতের হার বাড়ছে কি না— জানতে কিছু সময় লাগে।

    যুক্তরাষ্ট্রে যে করোনায় মৃতের সংখ্যা বাড়ছে, তার প্রধান কারণ টিকা গ্রহণের বিষয়ে মার্কিন জনগণের উদাসীনতা। বিশ্বের সবচেয়ে কার্যকর করোনা টিকাগুলো ব্যাপকভাবে সহজলভ্য হওয়া সত্ত্বেও দেশটির মোট জনসংখ্যার মাত্র ৬৪ শতাংশ টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন।

    ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে বিশ্বের প্রথম করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। করোনায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনাটিও ঘটেছিল চীনে। তারপর অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসটি।

    মহামারির শুরু থেকে করোনায় আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যক্তিদের হালনাগাদ তথ্য প্রদানকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার্সের তথ্য অনুযায়ী, শ্বাসতন্ত্রের এই প্রাণঘাতী রোগে বিশ্বে মোট মৃতের সংখ্যা বর্তমানে ৫৭ লাখ ৪৩ হাজার ৬০ জন।

    তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে- এই সংখ্যা মূলত সরকারি হিসেব। গত দুই বছরের মহামারিতে করোনায় মৃত্যুর প্রকৃত মোট সংখ্যা সরকারি হিসেবের চেয়ে অন্তত দ্বিগুণ বা তিনগুণ বেশি।

    সূত্র: এএফপি


    এসএম
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ