ঢাকা সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • জমি, বাড়ি বা গাড়ি নেই এনসিপি নেত্রী মিতুর, মাসে আয় ২৫ হাজার টাকা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে, শিগগিরই হাম নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে জরুরি সেবায় নিয়োজিতদের জ্বালানি তেলের রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে বাসায় ডেকে এনে প্রেমিকাকে হত্যা, বিচার দাবিতে নগরীতে মানববন্ধন চুরির অপবাদ দিয়ে তরুণকে গাছে বেঁধে নির্যাতন বরিশালে চোখের সামনে আগুন তিনটি বসতঘর, মুহূর্তেই ধ্বংস হল আশ্রয়স্থল ‘হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো’- চিরকুট লিখে ঢাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা পিরোজপুরে হাত-পা বিহীন শিশুর জন্ম, গ্রহণ করতে পিতার অস্বীকৃতি নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে ববি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত আমতলীতে বিএনপিকে নিয়ে কটুক্তি, প্রতিবাদ করায় ছাত্রদল কর্মী রক্তাক্ত
  • বিয়ের সাজেই পরীক্ষার হলে!

    বিয়ের সাজেই পরীক্ষার হলে!
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    পড়াশোনার কোনও বয়স নেই। পড়াশোনার কোনও বিকল্প নেই। কথাগুলো শুনতে বেশ ভালো লাগে। তবে বাস্তবে এর মর্ম বুঝে চলা বেশ কঠিন। অনেকেই অনেক সময় বিভিন্ন অজুহাতে মাঝপথে পড়াশোনা ছেড়ে দেয়। কেউ বিয়ের অজুহাতে, কেউ আবার টাকার অভাবের দোহাই দিয়ে। কিন্তু অনেকে রয়েছেন যারা জীবনের সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করেও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেন। রাজকোটের এই মেয়ে তেমনই একজন।

    পরীক্ষার হলে বিয়ের সাজে বসে রয়েছে কনে। এমন ছবি দেখে অনেকেই নিজের চোখ দুটিতে বিশ্বাস রাখতে পারবেন না। ভারতের রাজকোটের শান্তি নিকেতন কলেজের অনেকেও এমন ছবি দেখে অবাক হয়ে যান। তবে শিবাঙ্গী বাগথারিয়ার দাবি, জীবনে সব কিছু অপেক্ষা করতে পারে। এমনকী বিয়েও। তবে পরীক্ষা তো আর অপেক্ষা করে থাকবে না। তাই তিনি বিয়ের থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করলেন পরীক্ষাকে। আর কনের এমন ইচ্ছায় সায় দিল তার বর। ফলে ব্যাপারটা সহজেই হয়ে গেল।
    ব্যাচেলর অব সোস্যাল ওয়ার্কস-এর পঞ্চম সেমেস্টার দিতে কনে বেশেই পরীক্ষার হলে পৌঁছে গেলেন শিবাঙ্গী। গা ভর্তি গয়না, গায়ে লাল শাড়ি, মুখে-চোখে মেক-আপ। বিয়ের জন্য তিনি একেবারে তৈরি। তবে বিয়ের আগে সেমেস্টার পরীক্ষা দিয়ে গেলেন। আসলে পরীক্ষার সময় ও লগ্ন পড়েছিল প্রায় একই সময়ে। তাই দুটি দিকেই ব্যালান্স করে রাখলেন তিনি। অনেকেই তাকে অনুপ্রেরণা হিসেবে তুলে ধরলেন। সব থেকে অবাক করার ব্যাপার, শিবাঙ্গীর বর হবু বউকে পরীক্ষা দিতে উৎসাহ দিয়েছিলেন। এমনকী তিনিও কলেজ পর্যন্ত শিবাঙ্গীকে পৌঁছে দিতে আসেন।

    পরীক্ষার পর শিবাঙ্গী বলেন, ''আসলে আমার বিয়ের দিন যখন ঠিক হয় তখন পরীক্ষার ডেট জানানো হয়নি। এরপর বিয়ের সব প্রস্তুতি শুরু হলে পরীক্ষার দিন জানতে পারি। কিন্তু তখন বিয়ের দিন বদলানো কঠিন কাজ ছিল। ফলে বাবা-মা ও হবু শ্বশুর-শ্বাশুড়িকে ব্যাপারটা জানাই। দুই বাড়ির মতে বিয়ের লগ্ন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়। ফলে আমি পরীক্ষা দিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পারি। পড়াশোনার কোনও বিকল্প নেই। আর আমি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলাম।'' বলে রাখা ভালো, শিবাঙ্গী কিন্তু সময়মতো বিয়ের মণ্ডপেও পৌঁছে গিয়েছিলেন।


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ