ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেত্রী নাসরিন স্পিকারের সঙ্গে মজিবর রহমান সরোয়ার'র সৌজন্য সাক্ষাৎ ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারকারীরা গণতন্ত্রের শত্রু: আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ এখন থেকে রাতের ভোটে কেউ জনপ্রতিনিধি হতে পারবে না: জহির উদ্দিন স্বপন বরিশালে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৭ মঠবাড়িয়ায় সাবেক সংসদ সদস্য শামিম শাহনেওয়াজের বাবা মজিবুর রহমানের দাফন সম্পন্ন ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে : ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এসআরবি’র অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের দেশ: গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জনের মধ্যেই ইশরাকের বার্তা
  • বিয়ের সাজেই পরীক্ষার হলে!

    বিয়ের সাজেই পরীক্ষার হলে!
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    পড়াশোনার কোনও বয়স নেই। পড়াশোনার কোনও বিকল্প নেই। কথাগুলো শুনতে বেশ ভালো লাগে। তবে বাস্তবে এর মর্ম বুঝে চলা বেশ কঠিন। অনেকেই অনেক সময় বিভিন্ন অজুহাতে মাঝপথে পড়াশোনা ছেড়ে দেয়। কেউ বিয়ের অজুহাতে, কেউ আবার টাকার অভাবের দোহাই দিয়ে। কিন্তু অনেকে রয়েছেন যারা জীবনের সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করেও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেন। রাজকোটের এই মেয়ে তেমনই একজন।

    পরীক্ষার হলে বিয়ের সাজে বসে রয়েছে কনে। এমন ছবি দেখে অনেকেই নিজের চোখ দুটিতে বিশ্বাস রাখতে পারবেন না। ভারতের রাজকোটের শান্তি নিকেতন কলেজের অনেকেও এমন ছবি দেখে অবাক হয়ে যান। তবে শিবাঙ্গী বাগথারিয়ার দাবি, জীবনে সব কিছু অপেক্ষা করতে পারে। এমনকী বিয়েও। তবে পরীক্ষা তো আর অপেক্ষা করে থাকবে না। তাই তিনি বিয়ের থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করলেন পরীক্ষাকে। আর কনের এমন ইচ্ছায় সায় দিল তার বর। ফলে ব্যাপারটা সহজেই হয়ে গেল।
    ব্যাচেলর অব সোস্যাল ওয়ার্কস-এর পঞ্চম সেমেস্টার দিতে কনে বেশেই পরীক্ষার হলে পৌঁছে গেলেন শিবাঙ্গী। গা ভর্তি গয়না, গায়ে লাল শাড়ি, মুখে-চোখে মেক-আপ। বিয়ের জন্য তিনি একেবারে তৈরি। তবে বিয়ের আগে সেমেস্টার পরীক্ষা দিয়ে গেলেন। আসলে পরীক্ষার সময় ও লগ্ন পড়েছিল প্রায় একই সময়ে। তাই দুটি দিকেই ব্যালান্স করে রাখলেন তিনি। অনেকেই তাকে অনুপ্রেরণা হিসেবে তুলে ধরলেন। সব থেকে অবাক করার ব্যাপার, শিবাঙ্গীর বর হবু বউকে পরীক্ষা দিতে উৎসাহ দিয়েছিলেন। এমনকী তিনিও কলেজ পর্যন্ত শিবাঙ্গীকে পৌঁছে দিতে আসেন।

    পরীক্ষার পর শিবাঙ্গী বলেন, ''আসলে আমার বিয়ের দিন যখন ঠিক হয় তখন পরীক্ষার ডেট জানানো হয়নি। এরপর বিয়ের সব প্রস্তুতি শুরু হলে পরীক্ষার দিন জানতে পারি। কিন্তু তখন বিয়ের দিন বদলানো কঠিন কাজ ছিল। ফলে বাবা-মা ও হবু শ্বশুর-শ্বাশুড়িকে ব্যাপারটা জানাই। দুই বাড়ির মতে বিয়ের লগ্ন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়। ফলে আমি পরীক্ষা দিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পারি। পড়াশোনার কোনও বিকল্প নেই। আর আমি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলাম।'' বলে রাখা ভালো, শিবাঙ্গী কিন্তু সময়মতো বিয়ের মণ্ডপেও পৌঁছে গিয়েছিলেন।


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ