ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেত্রী নাসরিন স্পিকারের সঙ্গে মজিবর রহমান সরোয়ার'র সৌজন্য সাক্ষাৎ ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারকারীরা গণতন্ত্রের শত্রু: আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ এখন থেকে রাতের ভোটে কেউ জনপ্রতিনিধি হতে পারবে না: জহির উদ্দিন স্বপন বরিশালে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৭ মঠবাড়িয়ায় সাবেক সংসদ সদস্য শামিম শাহনেওয়াজের বাবা মজিবুর রহমানের দাফন সম্পন্ন ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে : ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এসআরবি’র অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের দেশ: গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জনের মধ্যেই ইশরাকের বার্তা
  • সৌদি আরবের কয়েকটি শহরে হামলা

     সৌদি আরবের কয়েকটি শহরে হামলা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন


    ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি সৌদি আরবের বেশ কয়েকটি প্রদেশে ১৪টি ড্রোন নিক্ষেপের দাবি করেছে। বিদ্রোহীরা বলেছে, শনিবার দেশটির তেল কোম্পানি সৌদি আরামকোর স্থাপনাসহ বিভিন্ন শহরে এই ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।  

    এদিকে, হামলার জবাবে ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের অন্তত ১৩টি লক্ষ্যবস্তুতে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সামরিক অভিযান পরিচালনার দাবি করেছে। শনিবার সৌদির রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংবাদ সংস্থা সৌদি প্রেস অ্যাজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই হামলা-পাল্টা হামলার খবর দেওয়া হয়েছে। তবে কোনও হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিনা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো পক্ষই তা নিশ্চিত করেনি।

    ইয়েমেনে লড়াইরত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বলেছে, তারা সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের দিকে ধেয়ে আসা তিনটি ড্রোন ধ্বংস করেছে। এছাড়া সৌদি আরব লক্ষ্য করে ছোড়া অপর একটি ড্রোন ইয়েমেনের আকাশেই ধ্বংস করা হয়েছে। গোষ্ঠীটির দু’টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যর্থ হয়েছে এবং তা ইয়েমেনের ভেতরে পড়েছে।

    সৌদির রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল তোম্পানি সৌদি আরামকো বলেছে, তারা শিগগিরই এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানাবে। হুথির সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারিয়া এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, রিয়াদ, জেদ্দা, আভা, জিজান এবং নাজরান প্রদেশে সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। জেদ্দায় সৌদি আরামকোর তেল শোধনাগারও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    ২০১৫ সালের শুরুর দিকে হুথি বিদ্রোহীদের হামলার মুখে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনের ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মনসুর আল হাদি ক্ষমতা ছেড়ে সৌদি আরবে পালিয়ে যান। ক্ষমতাচ্যুত এই প্রেসিডেন্টকে ফেরাতে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে।

    অভিযানের শুরুর পর ইয়েমেনের রাজনৈতিক সংকটের অবসান হওয়ার পরিবর্তে তা আরও তীব্র হয়ে ওঠে। বর্তমানে ইয়েমেনে কার্যত দুই শাসকগোষ্ঠী সক্রিয় আছে। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সামরিক সহযোগিতার ওপর ভর করে দেশটির দক্ষিণাঞ্চল এখনও মনসুর হাদির নেতৃত্বাধীন সরকারের নিয়ন্ত্রণে আছে, অন্যদিকে উত্তরাঞ্চল সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে হুথি বিদ্রোহীরা।

    ইয়েমেনের এই সংঘাতকে মধ্যপ্রাচ্যে আধিপত্যের লড়াইয়ে সৌদি-ইরানের ‘ছায়াযুদ্ধ’ হিসেবে দেখা হয়। টানা গৃহযুদ্ধ ও সংঘাত চলার ফলে প্রায় ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ এবং এক সময়ের স্বচ্ছল এই দেশ।


    এসএম
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ