ঢাকা সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • এখন থেকে রাতের ভোটে কেউ জনপ্রতিনিধি হতে পারবে না: জহির উদ্দিন স্বপন বরিশালে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৭ মঠবাড়িয়ায় সাবেক সংসদ সদস্য শামিম শাহনেওয়াজের বাবা মজিবুর রহমানের দাফন সম্পন্ন ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে : ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এসআরবি’র অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের দেশ: গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জনের মধ্যেই ইশরাকের বার্তা দুই শিশুকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা, দেয়ালে লেখা ছিল ‘এই গল্প শেষ’ নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও মন্দির পরিদর্শন করলেন বিসিসি প্রশাসক  ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • নীল নদের ওপর বাঁধ, ইথিওপিয়াকে আরব লীগের হুঁশিয়ারি

    নীল নদের ওপর বাঁধ, ইথিওপিয়াকে আরব লীগের হুঁশিয়ারি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    নীল নদের ওপর বাঁধ নির্মাণ নিয়ে ইথিওপিয়াকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে আরব লীগ। সংস্থাটির মহাসচিব আহমেদ আবুলগেইত বলেন, বাঁধ নির্মাণের জন্য ইথিওপিয়াকে চরম মূল্য দিতে হবে।

    প্রসঙ্গত, নীল নদের ওপর এক বিশাল জল বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ করছে ইথিওপিয়া। নীল নদের ওপর নির্মাণাধীন ইথিওপিয়ার এই বাঁধটির নাম ‘গ্রান্ড ইথিওপিয়ান রেঁনেসা বাঁধ’। প্রতিবেশী সুদান এবং মিশরের সঙ্গে এটি নিয়ে বহু দিন ধরেই ঝামেলা চলছে ইথিওপিয়ার।

    বৃহস্পতিবার আরব লীগের মহাসচিব বলেন, এই বাঁধের কারণে দুটি আরব দেশ (মিশর ও সুদান) ধ্বংস হবে। ইথিওপিয়ার এই উদ্যোগের কারণে আরব বিশ্ব মর্মান্তিক পরিস্থিতির মুখোমুখি। এই বাঁধের কারণে ইরান, তুরস্ক ও ইসরাইল এই অঞ্চলে খবরদারি করার সুযোগ পাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    আরব লীগের মহাসচিব জানান, চলমান জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ অধিবেশনে ফিলিস্তিনের বিষয়ে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। আরব দেশের নেতারা ফিলিস্তিনের রাজনৈতিক সমাধান চাইবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    এই বাঁধ নিয়ে কেন বিতর্ক
    মিশর তার বেশিরভাগ পানির চাহিদা নীল নদ থেকে মেটায়। নীল নদ হচ্ছে আফ্রিকার দীর্ঘতম নদী। যদি ইথিওপিয়া এই নদের ওপর বাঁধ নির্মাণ করে, তাহলে মিশরের পানির সরবরাহ শুকিয়ে যাবে এবং দেশটি প্রচন্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়বে বলে আশংকা করা হচ্ছে। কারণ নীল নদের পানি প্রবাহের পুরো নিয়ন্ত্রণ তখন চলে যাবে ইথিওপিয়ার হাতে।

    শুধু মিশর নয়, নীল নদের ভাটিতে আরেকটি দেশ সুদানও এই প্রকল্প নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারাও পানি কমে যাওয়ার আশংকা করছে।

    ইথিওপিয়া ২০১১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কথা ঘোষণা করেছিল। তারা বলেছিল, অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য তাদের এই বাঁধ দরকার। প্রায় চারশো কোটি ডলার খরচ করে এই বাঁধ দেওয়া হচ্ছে। এটির নির্মাণ যখন শেষ হবে, তখন পশ্চিম ইথিওপিয়ার এই বাঁধ হবে আফ্রিকার বৃহত্তম জল বিদ্যুৎ প্রকল্প।


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ