ঢাকা সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • জমি, বাড়ি বা গাড়ি নেই এনসিপি নেত্রী মিতুর, মাসে আয় ২৫ হাজার টাকা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে, শিগগিরই হাম নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে জরুরি সেবায় নিয়োজিতদের জ্বালানি তেলের রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে বাসায় ডেকে এনে প্রেমিকাকে হত্যা, বিচার দাবিতে নগরীতে মানববন্ধন চুরির অপবাদ দিয়ে তরুণকে গাছে বেঁধে নির্যাতন বরিশালে চোখের সামনে আগুন তিনটি বসতঘর, মুহূর্তেই ধ্বংস হল আশ্রয়স্থল ‘হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো’- চিরকুট লিখে ঢাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা পিরোজপুরে হাত-পা বিহীন শিশুর জন্ম, গ্রহণ করতে পিতার অস্বীকৃতি নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে ববি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত আমতলীতে বিএনপিকে নিয়ে কটুক্তি, প্রতিবাদ করায় ছাত্রদল কর্মী রক্তাক্ত
  • লঞ্চ থেকে ৪ শিশুকে নদীতে ফেলে দেয়ার ঘটনায় মামলা

    লঞ্চ থেকে ৪ শিশুকে নদীতে ফেলে দেয়ার ঘটনায় মামলা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ঢাকার সদরঘাট থেকে ছেড়ে আসা চাঁদপুরগামী ইমাম হাসান-৫ লঞ্চ থেকে মুন্সীগঞ্জের মেঘনা নদীতে চার শিশুকে ফেলে দেয়ার অভিযোগে লঞ্চটির অজ্ঞাত স্টাফদের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টার মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন মুক্তারপুর নৌ-পুলিশ স্টেশনের ইনচার্জ মো. লুৎফর রহমান।

    তিনি বলেন, লঞ্চের অজ্ঞাত স্টাফদের এ মামলার আসামি করা হয়েছে। মামলার তদন্ত করছে মুক্তারপুর নৌ-পুলিশ স্টেশনের এস আই আলামিন মুন্সী। এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি বলে তিনি জানান। এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া দুই শিশু হলো- মেহেদুল হাসান (১৩), সাকিব হাসান (১৩)। ঘাটে পাওয়া অপর দুই শিশু হলো- তারিকুল ইসলাম(১০), সিয়াম (১৩)।

    এর মধ্যে সাকিব নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার আবুল কাশেমের ছেলে, মেহেদুল গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানার চাঁনপুর গ্রামের মো. শরীফের ছেলে, সিয়াম কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানার খামার বদুয়া গ্রামের ইমাম হোসেনের ছেলে এবং কুমিল্লার মুন্সীরহাট গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে তরিকুল। তারা ঢাকার সদরঘাট এলাকায় থাকে লঞ্চে পানি বিক্রি ও বোতল সংগ্রহের কাজে জড়িত। শনিবার সকাল ১০টার দিকে মুন্সীগঞ্জ সীমানাধীন মেঘনা নদীতে শিশুদেরকে ফেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

    এ বিষয়ে গজারিয়া থানার ওসি মো. রইছ উদ্দিন বলেন, মুন্সীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল থেকে আনুমানিক দুই কিলোমিটার দূরে একটি স্পিডবোটে মেঘনা নদীতে অবস্থানকালে দুই শিশুকে ভাসতে দেখে এগিয়ে উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ লঞ্চঘাটে নিয়ে যাই। তাদেরকে লঞ্চঘাটে আনা হলে আরও দুই শিশুকে টার্মিনালে পাওয়া যায়। এরা উদ্ধার দুই শিশুর সঙ্গে লঞ্চে ছিল। তারা অন্য নৌযানের সহায়তায় ঘাটে আসে। ভাড়ার টাকা না থাকায় লঞ্চের স্টাফরা তাদেরকে মাঝ নদীতে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ শিশুদের। এরপর ঢাকা-সদরঘাটগামী এমভি আল-বোরাক লঞ্চে তাদের তুলে দেওয়া হয়।


    এদিকে, অভিযুক্ত লঞ্চের স্টাফরা অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ইমাম হাসান-৫ লঞ্চের মাস্টার মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, শিশুরা স্বেচ্ছায় নদীতে ঝাঁপ দেয় বলে যাত্রীরা আমাদেরকে অবগত করেন। কিন্তু কতজন ঝাঁপ দিয়েছে তা জানি না। বড় লঞ্চগুলো যখন ঘাটগুলোর সামনে দিয়ে যায় তখন স্থানীয় ট্রলার গুলো লঞ্চের গায়ে ভিড়ে। এ সময় যাত্রীরা ওঠা-নামা করেন। মুন্সীগঞ্জ লঞ্চঘাটের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় দুই শিশু ট্রলার দেখতে না পেয়ে কিছুদূর সামনে যাওয়ার পর ঝাঁপ দেয়। তারা ভেবেছিল ট্রলার এসে তাদেরকে নিয়ে যাবে। এ লঞ্চ মুন্সীগঞ্জ লঞ্চ ঘাটে নোঙর করে না।


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ