ঢাকা সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Motobad news

মিত্রদের ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রীর, ৩১ দফা ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

মিত্রদের ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রীর, ৩১ দফা ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার
যুগপৎ আন্দোলনে শরিক রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: পিএমও
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

যুগপৎ আন্দোলনের মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐক্য আরও সুদৃঢ় করতে সরকার গঠনের পাঁচ মাস পর প্রথমবারের মতো নৈশভোজ ও শুভেচ্ছা বিনিময়ে মিলিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২০ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত এ নৈশভোজ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দীর্ঘ ১৫-১৬ বছরের আন্দোলনের সহযোদ্ধাদের এই মিলন দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা ও রাষ্ট্র সংস্কারের নতুন অধ্যায়ের সূচনা।

ব্রিফিংয়ের শুরুতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল জুলাই ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারের অবসান ঘটিয়ে দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে শহীদদের আত্মত্যাগের মধ্যদিয়ে। আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী আন্দোলনকারীদের অবদানও জাতি চিরদিন স্মরণ করবে।

এ সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সরকারের পাঁচ মাসের কার্যক্রম এবং রাষ্ট্র সংস্কারে ‘৩১ দফা’ ও ‘জুলাই সনদ’ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন।

নৈশভোজে অংশ নেওয়া মিত্র দলগুলোর প্রশংসা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দীর্ঘ ১৫ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে যারা ত্যাগ স্বীকার করেছেন, কারাবরণ করেছেন কিংবা গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন, দেশ ও জাতি তাদের অবদান স্মরণে রাখবে।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও দলীয় মনোনয়ন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এ বিষয়ে দলগুলোর সঙ্গে আমাদের এখনো কোনো আলাপ হয়নি। আপনারা জানেন, আমাদের যে আইন হয়েছে, সেই আইনে কিন্তু দলীয়ভাবে নির্বাচন করার কোনো সুযোগ নেই। সুতরাং আমার মনে হয়, সে বিষয়টা আমরা আলোচনা এখন না করলেও পারি। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেব।’ 

আগামীদিনেও সব রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার কাজ চলবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণ বৈঠকে ৪১ রাজনৈতিক দলের ১৮৪ জন সদস্য অংশগ্রহণ করেন। তারমধ্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি ও জমিয়তে ইসলাম অংশগ্রহণ করেনি।


এইচকেআর
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন