ঢাকা বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • পাথরঘাটায় বলেশ্বর নদীতে ৯ যাত্রী নিয়ে বন বিভাগের ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ১ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের এক দফা দাবিতে বরিশালে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ পিরোজপুরে হত্যা মামলায় দুজনের যাবজ্জীবন পিরোজপুরে ঝর্ণা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হাই কোর্টে খালাস আগৈলঝাড়া থানায় হামলা মামলার আসামি ঢাকায় ডিবির হাতে গ্রেফতার মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি বাদ, ছয় দফা দাবি নিয়ে সচিবালয়ে ৬ শিক্ষার্থী ভুল ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশে গণমাধ্যমকে সতর্ক করলো তথ্য অধিদপ্তর শিক্ষাভবনে তালাবদ্ধ ব্যারিকেড, সামনে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা দেশের সব মাদরাসায় ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ পালনের নির্দেশ বায়ুদূষণে বছরে ৮৮ হাজারের বেশি মানুষ মারা যান : জাবির গবেষণা
  • বকেয়া ৪০-৪২ লাখ টাকা আদায়ে ব্যবসায়ীর মাইকিং

    বকেয়া ৪০-৪২ লাখ টাকা আদায়ে ব্যবসায়ীর মাইকিং
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    পিরোজপুরের পাড়েরহাট এলাকায় দীর্ঘদিনের বকেয়া টাকা পড়ে থাকায় বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বাদশা। বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানে বকেয়ার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪০-৪২ লাখ টাকা। পাওয়া টাকা আদায়ে হালখাতার আয়োজনও করেছেন তিনি। কিন্তু আশানুরূপ সাড়া পাননি। শেষ পর্যন্ত মাইকিং করে টাকা আদায়ের চেষ্টা করছেন তিনি।

    বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল থেকে মাইক ভাড়া করে পাওনাদারদের উদ্দেশে তাকে টাকা পরিশোধের আহ্বান করতে দেখা যায়। মাইকিং চলবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামের ‌‘মেসার্স আদিল আহনাফ এন্টারপ্রাইজ’ ও ‘মেসার্স হাওলাদার ব্যাটারী’ নামের দুটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দক্ষিণ শংকরপাশা গাজী বাড়ির বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বাদশা। তিনি ২০১৯ সাল থেকে মুদি মালামাল, ইজিবাইক, ব্যাটারি ও বিভিন্ন খুচরা যন্ত্রাংশের ব্যবসা করে আসছেন। দীর্ঘ সাত বছরে বাকিতে পণ্য বিক্রির কারণে বর্তমানে তার ৪০-৪২ লক্ষ টাকা বকেয়া পড়ে গেছে।

    অতিরিক্ত বাকি লেনদেনের কারণে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এখন চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। বকেয়া টাকা আদায়ে বৃহস্পতিবার তার দোকানে হালখাতার আয়োজন করা হয়। তবে আশানুরূপ সাড়া না পাওয়ায় সকাল থেকে তিনি মাইক ভাড়া করে পাওনাদারদের উদ্দেশে টাকা পরিশোধের আহ্বান জানান।

    ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বাদশা বলেন, আমি ২০১৯ সাল থেকে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। আমি মানুষের সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছি, যাতে আমারও ব্যবসা হয় এবং অন্য মানুষের উপকার হয়। এভাবেই আমি অনেক মানুষকে ব্যাটারি বাকিতে দিয়েছি, কিস্তিতে দিয়েছি। যখন যে আমার কাছে এসেছে, আমি তাকে সহযোগিতা করেছি। এমনও হয়েছে সকালে মাল নিছে বিকেলে দেওয়ার কথা বলে। কিন্তু বিকেল তো বিকেল, ছয় মাসেও কোনো খোঁজ নেই।

    তিনি আরও বলেন, সাত বছরের মধ্যে আগেও একবার হালখাতা করেছি। টাকা না পেয়ে আবারও হালখাতা করেছি। যাদের কাছে টাকা পাই, মাইক ভাড়া করে তাদের নাম ধরে ডাকছি। এরপরও যদি আমার টাকা পরিশোধ না করে, তাহলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মাইকিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

    স্থানীয় বাসিন্দা শরীফ শেখ বলেন, মানুষের কাছে ৪০-৪২ লাখ টাকা পাবে কিন্তু তারা টাকা দিচ্ছে না, এমনকি দোকানের কাছেও আসে না। তাদেরকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বলা হয়েছে। এমনকি হালখাতার কার্ড দেওয়া হয়েছে। আমার কাছেও এক লাখ টাকা পাইতেন, আমি পরিশোধ করেছি। তিনি আমার যে উপকার করেছেন তা আমার বাবাও করেনি। আমার মতো যদি সবাই টাকা পরিশোধ করতো, তাহলে এই মানুষটির কোনো কষ্ট থাকতো না।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ