গৌরনদীতে যুবলীগের তিন নেতাকে কুপিয়ে জখম

গৌরনদীতে অধিপত্য বিস্তার ও অভ্যন্তরীন কোন্দলের জেরধরে অতর্কিত ভাবে হামলা চালিয়ে যুবলীগের তিন নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে প্রতিপক্ষরা।
বুধবার বিকেল ৫টার দিকে গৌরনদী পৌরসভার কসবা আল্লাহ’র মসজিদ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- পৌর যুবলীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক কাওছার ফকির (৩০), পৌর যুবলীগের সিনিয়র সদস্য রায়হান ফকির(২৯) ও সদস্য এনায়েত হোসেন ওরফে ইমাদ খান (৩৫)। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই তিনজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন যুবলীগ নেতা কাওছার ফকির অভিযোগ করে বলেন, অমিসহ পৌর যুলীগের সিনিয়র সদস্য রায়হান ফকির, পৌর যুলীগের সদস্য এনায়েত হোসেন ওরফে ইমাদ খান একটি মোটর সাইকেল যোগে বুধবার বিকালে টরকী বাসস্ট্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা দেই।
পথিমধ্যে বিকেল ৫টার দিকে কসবা আল্লাহ্’র মসজিদ বাসস্ট্যান্ডে পৌছিলে পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কাউন্সিলর আল-আমিন হাওলাদারের নেতৃত্বে যুব ও ছাত্রলীগের ১০/১২ নেতাকর্মী আমাদের মোটর সাইকেলটির গতিরোধ করে।
এ সময় পৌর কাউন্সিলরের নেতৃত্বে চাইনিজ কুড়াল, রামদা দিয়ে আমাকে (কাওছার), রায়হান ফকির, ও ইমাদ খানকে হাতে ও পায়ে একাধিক কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে।
গুরুতর আহত অবস্থায় আমাদের উদ্ধার করে স্থানীয়রা প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকর বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে রেফার করেন।
অভিযোগের বিষয়ে পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর আল-আমিন হাওলাদার বলেন, এ ঘটনার সাথে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই। ঘটনার সময় আমি গৌরনদী বন্দর ভোলা সাহার মার্কেটে কেনাকাটা করছিলাম। হামলার ঘটনার সাথে জড়িতদের আমি দৃষ্টান্তমুলক শান্তি দাবি করছি।
গৌরনদী থানার ওসি আফজাল হোসেন জানান, ওই এলাকায় থানা পুলিশ টহলে রয়েছে। এখনো কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এইচকেআর