শেবাচিমে লিফটে ৪৫ মিনিট আটকে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থায় নার্স-রোগীসহ ১০ জন

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একটি লিফটে প্রায় ৪৫ মিনিট আটকে ছিলেন নার্স ও রোগীসহ ৮-১০ জন। পরে লিফটের দরজা ভেঙে তাদের উদ্ধার করেন স্বজনরা।
সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হাসপাতালের মাঝের ব্লকে এই ঘটনা ঘটে। নতুন লাগানো আধুনিক প্রযুক্তির এই লিফটগুলোতে আগেও একাধিকবার এমন ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
দুর্ঘটনার শিকার নার্স এবং রোগীর স্বজনরা জানান, ‘সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ৮-১০ জন লোক নিচতলা থেকে লিফটে বিভিন্ন তলায় ওঠার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে লিফটি চার তলায় গিয়ে বন্ধ হয়ে আটকে যায়। এর কিছুক্ষণ পর চলে যায় বিদ্যুৎ। এতে অন্ধকারে লিফটের ভেতরে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থায় পড়েন সবাই।
তারা আরো জানান, ভেতরে বসে জরুরি সেবা ট্রিপল নাইনে ফোন দেয়ার চেষ্টা করলেও নেটওয়ার্ক না পাওয়ায় কল দেয়া যাচ্ছিল না। প্রায় আধাঘণ্টা চেষ্টার পর একজনের ফোন থেকে ট্রিপল নাইনে বিষয়টি জানানোর পর আসে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।
তবে তাদের আসার আগেই রোগীদের স্বজন, হাসপাতালের কর্মী ও স্থানীয় লোকজন মিলে লিফটের দরজা ভেঙে আটকা পড়া লোকের উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘ সময় আটকে থাকার কারণে অনেকটা অসুস্থ হয়ে পড়েন তারা।
হাসপাতালের কয়েকজন কর্মীর অভিযোগ, ১০ জনের ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন বেডলিফ স্থাপন করেছে ডেফুডিল ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন নামের ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠান। আধুনিক প্রযুক্তির এই লিফটগুলো স্থাপনের পর থেকেই নানা ত্রুটি দেখা দেয়। যার কারণে বর্তমানে মাসের মধ্যে ১৫ দিনই বন্ধ থাকে লিফটগুলো। তবে এ বিষয়ে গুরুত্ব নেই গণপূর্ত বিভাগের।
এ বিষয়ে গণপূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী কামাল হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
আরজেএন