'বঙ্গবন্ধু কখনও অন্যায়ের সাথে আপোষ করেনি'

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আমিনুল ইসলাম খান বলেছেন, বঙ্গবন্ধু যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারিরা তাদের ন্যায্য দাবী আদায়ে আন্দোলন করছে। ওই আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একাত্মতা ঘোষণা করেন।
এসময় বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানসহ ৫ জন গ্রেফতার হয় এবং ৫ জনকেই বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরে বিশ্ববিদ্যালয় বলেছে যদি দোষ স্বিকার করে ১৫ টাকা জরিমানা দেওয়া হয় তাহলে তাদের ছাত্রত্ব ফেরত দেওয়া হবে। ওই ৫ জনের মধ্যে ৪ জন ১৫ টাকা জরিমানা দিয়ে তাদের ছাত্রত্ব ফেরত পায়। কিন্তু জাতির পিতা সেদিন দোষ স্বিকার, ১৫ টাকা জরিমানাও দেয়নি। এভাবেই তিনি ন্যায়ের পক্ষে থেকে প্রতিবাদ করে গেছেন।
আমিনুল ইসলাম খান বলেন, আমাদের দূর্ভাগ্য জাতির পিতার ওই ছাত্রত্ব ২০১০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বহাল রেখে যে বিশ্ববিদ্যালয় অন্যায় করেছে জাতির পিতা কোন অন্যায় করে নি।
এই অন্যায়ের দায় মোচনের জন্য ১৯৪৮ সাল থেকে ৬২ বছর পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার ছাত্রত্ব বহাল রাখে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কখনও অন্যায়ের সাথে আপোষ করেনি। তিনি তার যৌবনের অধিকাংশ সময় ন্যায়ের জন্য কারা বরণ করেছেন।
বুধবার সকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা পরিষদের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ কাজী ইমদাদুল হক দুলালের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র অধ্যাপক ড. এম অহিদুজ্জামান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মুলাদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তারিকুল হাসান খান মিঠু, বরিশাল বিভাগ উন্নয়ন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আতিকুর রহমান আতিক, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ আজাদ।
বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মৃধা মুহাম্মদ আক্তার উজ জামান মিলনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শাহিনুল ইসলাম সিকদার, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর শাহ আলম, চাঁদপাশা হাইস্কুল এ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ তাহমিনা আক্তার প্রমুখ।
এইচকেআর