ঢাকা মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • কৃষিবান্ধব সরকার কৃষকের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিবে: এমপি হাফিজ ইব্রাহিম  ‘ক্যাশলেস বরিশাল’গড়তে বাংলা কিউআর সম্প্রসারণে উদ্যোগ ববি উপাচার্যের সাথে বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব আনোয়ারুল হক তারিনের সৌজন্য সাক্ষাৎ মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে মাদ্রাসা শিক্ষকের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, সাময়িক বরখাস্ত তথ্যমন্ত্রীর সাথে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আজিজুল হক আক্কাস’র সৌজন্য সাক্ষাত  ঘুষ নেওয়া নৌ-পুলিশের ২ সদস্য বরখাস্ত ঝালকাঠিতে চিকিৎসককে ‘ভাই’ ডাকায় চিকিৎসা পেল না শিশু বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন রেজিস্ট্রার ড. আবদুল আলিম বছির পটুয়াখালীতে ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক আটক জনগণের আস্থা অর্জন করতে হলে সততা, জবাবদিহি ও কার্যকর সেবার বিকল্প নেই: তথ্যমন্ত্রী
  • বরিশালে একটি ডিম ১৫ টাকা, সবজির দামও চড়া

    বরিশালে একটি ডিম ১৫ টাকা, সবজির দামও চড়া
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বরিশালে ডিমের বাজারে অস্থিরতা ক্রমশ বাড়ছে।  শুক্রবার প্রতি হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৭০ টাকায়। সে হিসেবে প্রতিটি ডিমের মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রকার ভেদে ১৪ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১৭ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত। এর ফলে ডিমের ক্রেতা কমেছে।

    অপরদিকে, বেড়েছে সবজির দামও। টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে ক্ষেতে পানি জমে থাকার সবজির ক্ষতির অজুহাতে ২০-৪০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে বলে দাবি বিক্রেতাদের।
    তবে ক্রেতারা বলছেন, বাজার ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ সিন্ডিকেটের হাতে। তার ওপর বাজার তদারকির অভাব রয়েছে। এ কারণে একেক সময় একেক পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে।
    শুক্রবার নগরীর পোর্টরোড বাজার ঘুরে দেখে গেছে, পোলট্রি মুরগির ডিম প্রতি একশো পিচে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। খুচরা দোকানগুলোতে প্রতিহালি ডিম ৫৮-৭০ টাকা দরে বিক্রয় হচ্ছে। এর মধ্যে ফার্মের ডিম প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ৫৮ টাকা এবং দেশী হাসের ডিমের হালি ৭০ টাকা। এছাড়া সিদ্ধ মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ২০-২৫ টাকা এবং হাসের ডিম ৩০-৩৫ টাকা পর্যন্ত।

    নগরীর পুলিশ লাইন্স রোড এন হোসেন এভিনিউ একজন মুদি দোকানী জানান, ‘পাইকারী বাজারে ডিমের দাম বেড়েছে। গত সপ্তাহে ফার্মের ডিম প্রতিহালি ৪৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে তা এখন ৫৮ টাকা হয়েছে। পাইকারী বেশি দামে কিনতে হয়েছে, এ কারণে খুচরা বেশিদামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

    ডিমের পাশাপাশি মুদি বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৭৫ টাকা, ইন্ডিয়ান ৪৫, রসুন ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা যায়। এছাড়া জিরা গত সপ্তাহের মত ১২০০ টাকা দরেই বিক্রি হচ্ছে।
    অপরদিকে, ‘সবজির বাজারে করলা গত সপ্তাহে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন তা ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টমেটো ২০০, শিম ২০ টাকা বেড়ে ২০০, বেগুন ৩০ টাকা বেড়ে ৮০ টাকা, পটল ১০ টাকা বেড়ে ৩০, ফুলকপি ৪০ টাকা বেড়ে ৮০, শশা ৩০ টাকা বেড়ে ৫০ টাকা, কাঁচা মরিচ ২০০ এবং গাজর ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
    মাংসের বাজারে মুরগীর দাম স্বাভাবিক রয়েছে। গরুর মাংসের দাম ৭৫০-৮০০ টাকা। খাসির মাংস ১০০০-১১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

    চালের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বুলেট ৪৬-৫২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বস্তায় ৩০ টাকা বেড়ে যাওয়ায় কেজিতে ১ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে চালের দাম। বালাম ২৮ চাল ৫২-৫৫, পাইজাম ৪৬-৬৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

    তবে নগরীর ফরিয়াপট্টির পাইকারী ও খুচরা চাল বিক্রেতারা বলছেন, ‘কিছু কিছু চালের দাম ৫০ পয়সা থেকে ১টা পর্যন্ত বেড়েছে। সে হিসেবে চালের বাজার এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে।
    শুক্রবার সাপ্তাহিক বাজার কিনতে আসা নগরীর শীতলাখোলা এলাকার বাসিন্দা ছাবের আলী মুন্সি বলেন, ‘প্রতি সপ্তাহেই বাজারে পণ্যের দাম বাড়ছে। কখনো ডিম, কখনো সবজি, কখনো পেঁয়াজ, আবার কখনো চালের দাম বাড়ছে।

    তিনি বলেন, ‘পণ্যের মূল্য বাড়লেও আমাদের আয় বাড়েনি। এমনিভাবে দিন দিন পণ্যের মূল্য বাড়তে থাকলে নিম্ন এবং মধ্যবিত্তদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাবে। এজন্য জেলা প্রশাসন এবং ভোক্তা অধিকারের মনিটরিং কার্যক্রম জোড়ালো করা উচিত বলে মনে করেন তিনি।
     


    আরজেএন
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ