ঢাকা সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • পিরোজপুরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত পরীক্ষার্থী দুই মাস ধরে নেই ইউএনও, অতিরিক্ত কর্মকর্তা দিয়ে চলছে নলছিটি উপজেলা নিরাপদ সড়কের দাবিতে গৌরনদীতে মহাসড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন ঝালকাঠির জীবা আমিনা  সচেতনতার অভাবে অসংখ্য শিশু হাম-রুবেলায় প্রাণ হারাচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী  পদোন্নতির পর ওএসডি হলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার সংরক্ষিত নারী আসনে ৩৬ জনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে যা বললেন চরমোনাই পীর এএসআই পদে নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ পুলিশ, আবেদন ২৮ এপ্রিল থেকে শুরু বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব, অপেক্ষা মন্ত্রিসভার সম্মতির
  • ২২ দেশে ২৪ হাজার কোটি ডলার খরচ চীনের

    ২২ দেশে ২৪ হাজার কোটি ডলার খরচ চীনের
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    অর্থনৈতিক সমস্যা থেকে উত্তোলনে বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভভুক্ত (বিআরআই) ২২টি উন্নয়নশীল দেশকে ২৪০ বিলিয়ন (২৪ হাজার কোটি) ডলারের জরুরি ঋণ (বেইল আউট) দিয়েছে চীন। ২০০৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত এ ঋণ দেওয়া হয়েছে। আর সাম্প্রতিক সময়ে  ঋণ প্রদানের পরিমাণ আরও বেড়েছে বলে এক গবেষণা প্রতিবেদনে জানিয়েছেন কয়েকজন গবেষক।

    মূলত বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভের অবকাঠামো নির্মাণ করতে গিয়ে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় এসব দেশকে সহায়তা করার চেষ্টা করেছে বেইজিং।

    বিশ্বব্যাংকের হার্ভাড কেনেডি স্কুল, এইডডাটা এবং কেইল ইনস্টিটিউট ফর দ্য ওয়ার্ল্ড ইকোনোমির সমন্বয়ে গঠিত গবেষক দল জানিয়েছে, এসব জরুরি ঋণের বেশিরভাগই চীন দিয়েছে ২০১৬ সাল থেকে ২০২১ সালের মধ্যে। বিশেষ করে মধ্যআয়ের দেশগুলোকে ঋণ দেওয়া হয়েছে। চীনের এ সহায়তা পাওয়ার তালিকায় রয়েছে আর্জেন্টিনা, মঙ্গোলিয়া এবং পাকিস্তানের মতো দেশ।

    বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোকে কয়েকশ বিলিয়ন ডলার দিয়েছে বেইজিং। কিন্তু ২০১৬ সাল থেকে দেশটি অবকাঠামো নির্মাণের ঋণ দেওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দেয়। কারণ এসব অর্থ যেসব প্রজেক্টে খরচ করা হয়েছে, সেগুলো থেকে প্রত্যাশা অনুযায়ী লভ্যাংশ পাওয়া যায়নি।

    বিশ্ব ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ও এই গবেষণা প্রতিবেদনের অন্যতম গবেষক কার্মেন রেইনহার্ট বলেছেন, ‘বেইজিং মূলত নিজ ব্যাংককে বাঁচাতে চাইছে। এ কারণে তারা জরুরি ঋণ দেওয়ার মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজে যুক্ত হয়েছে।’

    গবেষণায় পাওয়া গেছে, ২০১০ সালে চীনের আন্তর্জাতিক জরুরি ঋণ দেওয়ার পরিমাণ ৫ শতাংশ ছিল। কিন্তু সেটি ২০২২ সালের মধ্যে বেড়ে ৬০ শতাংশে উপনীত হয়েছে।

    চীনের সবচেয়ে বেশি ১১১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার ঋণ পেয়েছে আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৮ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার পেয়েছে পাকিস্তান। তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৫ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার পেয়েছে মিসর। আর নয়টি দেশ ১ বিলিয়নের কম ডলার পেয়েছে।

    গবেষণায় বের হয়ে এসেছে, চীনের পিপলস ব্যাংক অব চায়না (পিবিওসি) সবচেয়ে বেশি ১৭০ বিলিয়ন জরুরি ঋণ প্রদান করেছে। ব্যাংকটির ঋণ পাওয়ার তালিকায় রয়েছে সুরিনাম, শ্রীলঙ্কা এবং মিসর। এরমধ্যে ব্রিজ লোন ছিল ৭০ বিলিয়ন ডলার।

    এই গবেষণায় কিছু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমালোচনা করা হয়েছে, যেগুলো পিবিওসির সোয়াপ লাইন ব্যবহার করে কৃত্রিমভাবে তাদের বৈদশিক রিজার্ভের পরিমাণ বাড়াচ্ছে।

    চীনের জরুরি ঋণ নিয়ে করা এ গবেষণার অন্যতম প্রধান গবেষক ব্র্যাড পার্কস বলেছেন, চীনের ঋণ দেওয়ার বিষয়টি ‘অস্বচ্ছ এবং সমন্বয়হীন।’

    এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে চীন ঘোষণা দিয়েছে— জাম্বিয়া, শ্রীলঙ্কা এবং ঘানার মতো কয়েকটি দেশের সঙ্গে ঋণ কাঠামো পুনর্গঠন করা হবে। এ নিয়ে আলোচনা চলছে।

    সূত্র: রয়টার্স
     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ