ঢাকা শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বিসিসির সাবেক জনপ্রিয় কাউন্সিলর সৈয়দ জাকির হোসেন জেলালের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত কোরবানির পশুর হাটে মহিষের গুঁতায় দুই ক্রেতা নিহত দাঁতের যন্ত্রণায় ছটফট করছেন নেতানিয়াহু, নেয়া হলো হাসপাতালে বরগুনায় দুর্গন্ধ থেকে মিললো অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত লাশ বরিশালে বেপরোয়া বাসের ধাক্কায় মা-বাবা ও শিশু সন্তান নিহত বরিশালের বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজসেবক ডা. সৈয়দ হাবিবুর রহমান আর নেই বরিশাল নগরীর সাগরদীতে ডিম বিক্রির আড়ালে ফেনসিডিল ব্যবসা, গ্রেপ্তার ৪ পাথরঘাটায় সাবেক মেয়র আনোয়ার গ্রেপ্তার টানা তাপপ্রবাহে ভারতের এক রাজ্যে ১৬ জনের মৃত্যু বরিশালে কদর বেড়েছে  তেঁতুল গাছের খাটিয়ার
  • পিরোজপুরে ভিপি মুক্তা হত্যা মামলার আসামিরা খালাস

    পিরোজপুরে ভিপি মুক্তা হত্যা মামলার আসামিরা খালাস
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    পিরোজপুর সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের ছাত্র সংসদের ভিপি  মো. মেজবাহ উদ্দিন মুক্তা (২৯) হত্যা মামলার আসামিদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

    মঙ্গলবার (০৩ জানুয়ারি) পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ এস.এম নুরুল ইসলাম এ রায় দেন।

    মামলায় খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- পিরোজপুর সদর উপজেলার  খুমুরিয়া এলাকার আব্দুর রহমান সরদারের ছেলে মো. সালাউদ্দিন ওরফে সালো, স্থানীয় লক্ষাকাঠী এলাকার মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে মো. রসুল, ঝাঠকাঠী এলাকার বারেক শেখের ছেলে মো. রাজ্জাক শেখ এবং বাজুকাঠী এলাকার আমির হোসেন সরদারের ছেলে শিপন সরদার।

    রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী (এপিপি) মো. জহুরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, নিহত মেজবাহ উদ্দিন মুক্তা পিরোজপুর সদর উপজেলার খুমুরিয়া এলাকার মীর আব্দুর রবের ছেলে ছিলেন। গত ২০০৭ সালের ১৪ জানুয়ারি তৎকালীন ওই কলেজের ভিপি ছিলেন তিনি। তাকে  সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৪ জানুয়ারি তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে পিরোজপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরে ওই বছরের ৩১ আগস্ট থানা পুলিশের এসআই আবুল বাশার চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

    মামলার আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. নুরুল ইসলাম সরদার শাহজাহান বলেন, আদালতের বিচারক সাত সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমানে তারা অভিযুক্ত প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের বেকসুর খালাস দেন।

    জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন বলেন, গত ২০০৭ সালের  সেনা শাসনের সময় ওই কলেজে ছাত্রলীগের কিছু বহিরাগত ক্যাডাররা কলেজে ঢুকে প্রকাশ্যে মাদক সেবনসহ কলেজের অধ্যক্ষের কাছে চাঁদা দাবি করতো। আর ভিপি মুক্তা এ সবের প্রতিবাদ করতেন। এর জেরে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

    জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সালাউদ্দিন কুমার জানান, নিহত মুক্তা ছাত্রদলের জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। আর হত্যাকারীরা শাসক দলের ক্যাডার হওয়ায় নিহতের পরিবার ন্যায় বিচার পায়নি। এমনকি হত্যাকারীদের ভয়ে নিহতের পরিবারের কেউ রায়ের সময় সময় আদালতে ছিলেন না।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ