পবিপ্রবির ছাত্রসহ তিনজনকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নে সরকারি খালের পাশে বাধ দেয়ার প্রতিবাদ করায় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসহ তিন সহোদরকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ রয়েছে বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন গাজীর বিরুদ্ধে।
আহতদের কে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার ১৬ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন ওই গ্রামের বাসিন্দা সাদিকুর রহমান খানের ছেলে ও পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স শেষ বর্ষের শেষ সেমিস্টারের মেধাবী ছাত্র মো. খালেদ খান রবিন, তার ফুফাতো ভাই প্রিন্স হাওলাদার এবং মামাতো ভাই ইমন আকন। আহত রবিনের বাবা সাদিকুর রহমান জানান, ওই এলাকার বিএনপি নেতা নাসির গাজী ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে তার এলাকার সরকারি একটি খালের পাশে বাদ দিয়ে পানি চলাচল বন্ধ করে দেয়।
এ ঘটনার প্রতিবাদ করি আমিও আমার ছেলে রবিন। সেই সূত্র ধরে ঘটনার দিন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় নাসির ও তার সহযোগী নাঈম গাজী নাসির গাজী সিফাত খান ফেরদৌস ও লিটন সহ অজ্ঞাত আরও ৩-৪ জনে রবিনকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তার ডাক চিৎকারে তার ডাক চিৎকারে তার ভাই প্রিন্স ও ইমন ঘটনাস্তলে গেলে তাদেরকেও এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
পরে স্থানীয়রা আহতদেরকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। তিনি আরো জানান, নাসির আমার এলাকার সরকারি একটি খালের পাশে বাদ দিয়ে পানি চলাচল বন্ধ করে দেয়। সরকারি খাল বন্ধ হওয়ায় বিপাকে পড়ে সাধারণ কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মাধ্যমে আমিও আমার ছেলে বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেই। পরে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ভরাট কৃত মাটি অপসারণের জন্য তিন দিনের আল্টিমেটাম দেন।
সেই থেকেই আমাদের সাথে নাসিরের শত্রুতা। এছাড়াও নাসির এর আগেও আমার ছেলেকে একাধিকবার মারধর করেছে। নাসির ও তার সহযোগীদের হাত থেকে আমার ছেলেকে রক্ষা করার জন্য একাধিকবার থানা ও আদালতে সাধারণ ডায়েরি ও মামলা করেও ছেলেকে রক্ষা করতে পারিনি। তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এএজে