ঢাকা বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম

বরিশালে ইলিশ রক্ষা অভিযানের ট্রলারে আগুন

বরিশালে ইলিশ রক্ষা অভিযানের ট্রলারে আগুন
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

ইলিশ রক্ষা অভিযানে যে ট্রলার নিয়ে গিয়েছিলেন সেই ট্রলারেই আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছেন বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত ফাতিমা। ট্রলার মাঝি কথা না শোনায় ট্রলারে আগুন ধরিয়ে দেওয়া নির্দেশ দেন তিনি। 

বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর)  সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাবুগঞ্জ সুগন্ধা নদীর লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাবুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী ইমদাদুল হক ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান।

অগ্নিসংযোগের পর ট্রলারটি ভাসতে ভাসতে বর্তমানে বাহেরচর নামক স্থানের নদীতে রয়েছে। 

ট্রলারটি পুরোপুরি পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বাবুগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ইনচার্জ আব্দুল মালেক।

তবে ইউএনও নুসরাত ফাতিমার মোবাইল নাম্বার বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বাবুগঞ্জ থানার ওসি মাহাবুবুর রহমান বলেন, মাঝি আনোয়ার হোসেনের ট্রলারে অভিযানে যান তিনি। অভিযান শেষে ঘাটে ভেরার পরে জব্দ জাল পোড়ান। শেষে ট্রলারের মাঝি জব্দকৃত মাছ সরিয়ে রেখেছে বলে অভিযোগের কথা বলেন। ট্রলার তল্লাশি চালিয়ে কোন মাছ পান না। এ সময়ে ইউএনও মহোদয় তাকে কিছু কথা বলেন—এতে ভয় পেয়ে মাঝি পিছন থেকে পালিয়ে যায়। মাঝি পালিয়ে যাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযানের আনসার সদস্যদের নির্দেশ দেন ডিজেল দিয়ে ট্রলারে আগুন ধরিয়ে দিতে। 

উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী ইমদাদুল হক বলেন, অভিযান শেষে ট্রলারের মাঝি জব্দ মাছের কিছু বড় ইলিশ সরিয়ে রাখেন—এটিই তার (ইউএনও) রাগের কারন। তাঁর নির্দেশনা ছিল অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ট্রলার ভিড়াবে না। মাঝি সেটা করেছে। এ কারনে ইউএনও আইনগতভাবেই আগুন ধরিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেন। কারন অভিযানে তার কথার বাইরে কাজ হলে তাঁর ম্যাজিস্ট্রেসি প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

উপজেলা ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ইনচার্জ আব্দুল মালেক বলেন, খবর পেয়ে আমরা নৌকা নিয়ে ঘটনাস্থলে যাই এবং আগুন নেভাই। তবে তার আগেই ট্রলারটির প্রায় সব পুড়ে গেছে।


এইচকেআর
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

সর্বশেষ