ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম

অবশেষে শেবাচিমে চালু হলো এনজিওগ্রাম ও সিটিস্ক্যান মেশিন

অবশেষে শেবাচিমে চালু হলো এনজিওগ্রাম ও সিটিস্ক্যান মেশিন
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

অবশেষে টানা চার বছর পর বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এনজিওগ্রাম মেশিন চালু হয়েছে।

পাশাপাশি চালু হয়েছে আড়াই বছর ধরে বন্ধ থাকা সিটিস্ক্যান মেশিনও। দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব হলেও সব সময় মেশিন দুটি সচল রাখার দাবী রোগীদের। মেশিন দুটি পরিচালনায় দক্ষ টেকনিশিয়ান ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নার্স নিয়োগের দাবি চিকিৎসকদের। 

কর্মব্যস্ততা ফিরেছে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এনজিওগ্রাম ও সিটি স্ক্যান বিভাগে। টানা ৪ বছর পর এনজিওগ্রাম মেশিন ও আড়াই বছর পর সিটি স্ক্যান মেশিন সচল হয়েছে। এখন একের পর এক রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্টরা। এনজিওগ্রাম মেশিনের ইনচার্জ মো. মোস্তফা বলেন, ২৬ সেপ্টেম্বর চালু হয়েছে এনজিওগ্রাম মেশিন। চালুর পর থেকে স্বল্প খরচে সাধারণ রোগীরা পরীক্ষা করাতে পারছেন।

সিটি স্ক্যান মেশিনের ইনচার্জ মো: বাবুল বলেন, ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে চালু হয়েছে সিটিস্ক্যান মেশিন। এই মেশিন বন্ধ থাকায় মানুষের ভোগান্তি ছিলো অনেক। মেশিনটি পুনরায় মেরামতের পর চালু হওয়ায় রোগীদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। সিটি স্ক্যান বিভাগে প্রতিদিন সেবা নিচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ জন রোগী।

রোগীর স্বজন আব্দুল মোতালেব বলেন, বাইরে সিটি স্ক্যান করাতে ৪ হাজার টাকার মত খরচ হতো। তবে হাসপাতালে এই পরীক্ষার খরচ প্রায় অর্ধেক। মেশিনটি আবার যাতে বন্ধ না হয় সেই জন্য যথাযথ তদারকির দাবী করছি। 

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা: এইচ এম সাইফুল ইসলাম বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের সহায়তায় মেশিন দুটি সচল করতে পেরে খুশি হাসপাতালের পরিচালক। এখন আর কোন রোগীকে পরীক্ষার জন্য রাজধানীতে যেতে হবে না। তাছাড়া মেশিন দুটি সচল রাখতে টেকনিয়াশের চাহিদা রয়েছে, যা মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে।

২০১৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর এনজিওগ্রাম মেশিনটি নষ্ট হয়। আর ২০২০ সালের ২০ জুন নষ্ট হয় সিটি স্ক্যান মেশিনটি। দীর্ঘদিন মেশিন দুটি অচল থাকায় বিভাগের প্রায় অর্ধলক্ষ অসুস্থ মানুষ এর সেবা থেকে বঞ্চিত ছিলো।
 


এএজে
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

সর্বশেষ