ঢাকা সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জনের মধ্যেই ইশরাকের বার্তা দুই শিশুকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা, দেয়ালে লেখা ছিল ‘এই গল্প শেষ’ নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও মন্দির পরিদর্শন করলেন বিসিসি প্রশাসক  ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কাউনিয়া বালিকা ফাজিল মডেল মাদরাসায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন ভোলায় বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম, গণপিটুনির পর যুবকের মৃত্যু দুর্নীতির মামলায় বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান কাতারে গ্রেফতার শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বন্ধ ও ৭ দফা দাবিতে পদ্মা ব্লোয়িংয়ে গেট মিটিং সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় রাজাপুরের আনোয়ার হোসেনের মৃত্যু বরিশালে চার ঘন্টার অভিযানে ১৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ
  • ঝালকাঠিতে মসজিদ তহবিলের অর্থ আত্মসাত

    ঝালকাঠিতে মসজিদ তহবিলের অর্থ আত্মসাত
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার খাগড়াখানা গ্রামের নূরানী জামে মসজিদের সভাপতি মুফতি মাহবুবুর রহমানের অর্থ-আত্মসাৎ এর বিচার নতুন কমিটি গঠনের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মসজিদের অন্যতম জমিদাতা মো. শহিদুল ইসলাম। 

    মঙ্গলবার বিকালে ঝালকাঠি প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সংবাদ সম্মেলনে জমিদাতাদের মধ্যে আনসার আলী, মুনসুর আলী, আবুল হোসেন, সালাম ঢালী ও মজিদ হাওলাদার উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মসজিদের জমিদাতা ও অনুদান প্রদানকারী মো. শহিদুল ইসলাম। 

    লিখিত বক্তব্যে শহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ২০০১ সালে নলছিটি উপজেলার খাগড়াখানা গ্রামে ১২ শতাংশ জমির ওপর নূরানী জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠা করা হয়। আমার মা মসজিদে ২ শতাংশ জমি দান করে। প্রায় ১২ লাখ টাকা খরচ করে ২০১৬ সালে মসজিদ নির্মাণ কাজ শেষ করা হয়। যার বেশীরভাগ অর্থ আমি দিয়েছি। কখনও নগদ কখনও মসজিদের ব্যাংক হিসাবে টাকা ট্রান্সফার করা হয়। ২০১৬ সাল থেকে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন মুফতি মাহবুবুর রহমান। 

    সম্প্রতি মাহবুবুর রহমানের কাছে আমিসহ মুসুল্লীরা বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক হিসাবে জমা হওয়া টাকার আয় ব্যায়ের হিসাব চাইলে তিনি হিসাব দিতে টালবাহানা শুরু করেন এবং ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখাতে অস্বীকার করেন। আমি বহু কস্ট করে ইসলামী ব্যাংক ঢাকা লোকাল অফিস থেকে মসজিদের হিসাব নং ২০৫০১৮৩০২০২৩১৯৯০৫ এর স্টেটমেন্ট উঠিয়ে দেখতে পাই মসজিদের সভাপতি মাহবুবুর রহমান ০৪৩৫৫৯১৭ নম্বর চেক দিয়ে দুই লক্ষ টাকা উঠিয়ে নিয়েছেন । কিন্তু এই টাকা দিয়ে তিনি কি করেছেন তাঁর কোন হিসাব দেন না । মসজিদের আয় ব্যায়ের রেজিস্টারে দুই লাখ টাকার কোন বিবরণ নাই। 

    এ বিষয়ে শহিদুল ইসলাম নলছিটি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট আত্মসাতের  বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। নলছিটি থানার অফিসার ইনচার্জ তদন্ত করে সভাপতি মাহবুবুর রহমানকে ১ লক্ষ টাকা হিসাবে জমা দিতে বলেন এবং মসজিদের নতুন কমিটি গঠন করার জন্য এলাকার ইউপি সদস্যকে দায়িত্ব প্রদান করেন। 

    এ ঘটনার পর মসজিদের সভাপতি মুফতি মাহবুবুর রহমান তাঁর ভাই মাসুম বিল্লাহর সহযোগীতা নিয়ে শহিদুল ইসলামসহ অন্যকয়েকজন দাতাদের বিরুদ্ধে আদালতে কমিটি গঠনের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে মামলা দায়ের করেন। সংবাদ সম্মেলনে  মসজিদের অর্থ আত্মসাতের বিচার ও নতুন কমিটি  গঠন করার জন্য সাংবাদিকসহ প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করা হয়। 

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে মসজিদ কমিটির  মুফতি মো.মাহাবুবুর রহমান বলেন, আমার নামে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ এনে হয়রানি করার চেষ্টা করছেন শহিদুল ইসলাম। আমি নামেমাত্র সভাপতি সকল কার্যক্রম পরিচালনা করেন আমার ভাই মাসুম বিল্লাহ। 


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ