ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
এলাকাবাসীর মানববন্ধন 

বাবুগঞ্জে অপহরণের ১৭ দিনেও উদ্ধার হয়নি স্কুল ছাত্র

বাবুগঞ্জে অপহরণের ১৭ দিনেও উদ্ধার হয়নি স্কুল ছাত্র
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

বরিশালের বাবুগঞ্জ অপহৃত ১০ম শ্রেনীর স্কুলছাত্রের সন্ধান ১৭ দিনেও মেলেনি। আইনশৃংখলা বাহিনী ও পরিবারের সদস্যরা তাকে হন্য হয়ে খুঁজেও ব্যর্থ হয়েছেন। 

শোকে কাতর পরিবার ও ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নিখোঁজ রাজিবকে উদ্ধার এবং অপহরণকারীদে শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে।

রবিবার (১৮সেপ্টম্বর) উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের এমপির হাট বাজারে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নূরে আলম বেপারী, ইউপি সদস্য মো. আব্দুস সালাম, কেদারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেলিম জোমাদ্দার, সাবেক ইউপি সদস্য মো. লাভলু খান, মধ্য ভূতেরদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান, সহকারী শিক্ষক মোঃ আনোয়ার হোসেন হালিম প্রমূখ। 

এছাড়াও মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর যুবলীগ নেতা ও শিল্পপতি এইচ এম শাহিন, বাবুগঞ্জ উপজেলা জাতীয় যুব সংহতির সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল হাওলাদার, সাবেক ইউপি সদস্য মো. আনিচুর রহমান খান, কেদারপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. বাতেন শরীফ, মধ্য ভূতেরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মধ্য ভূতেরদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক- শিক্ষার্থী সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য অপহৃত মো. রাজিব(১৫) বাবুগঞ্জ  উপজেলার ২নং কেদারপুর ইউনিয়নের মধ্যভূতেরদিয়া গ্রামের দিনমজুর আইয়ুব আলী হাওলাদারের ছেলে ও কেদারপুর ইউনিয়নের মধ্যভূতেরদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনী ছাত্র। গত ২ সেপ্টেম্বর মো. রাজিব এলাকার বখাটেদের দ্বারা অপহৃত হয়। 

এঘটনায় ৪ সেপ্টেম্বর বাবুগঞ্জ থানায় একই এলাকার মাহাবুব ঘরামির ছেলে মোহাম্মদ সায়েম ঘরামী (১৯)কে আসামি করে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী পরিবার। 

মুল অভিযুক্ত সায়েম ও সহযোগী সবুজ হাওলাদারকে গ্রেফতার পূর্বক জেল হাজতে প্রেরণ করেন বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ। 

তবে সায়েমকে প্রাথমিক জিজ্ঞেসাবাদে অপহরণের কথা স্বিকার করলেও তথ্য ভুল থাকায় রাজিব কে উদ্ধার করতে পারেননি পুলিশ। 

বাবুগঞ্জ থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত সায়েমকে আটকের পর তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী জড়িত সবুজ হাওলাদারকে গ্রেফতার পূর্বক জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত  সায়েমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের কাছে আমরা রিমান্ড আবেদন করেছিলাম। অভিযুক্ত সায়েমের পরিবার ১৪ বছর বয়স দেখিয়ে জন্ম নিবন্ধন তৈরি করে আদালতে দাখিল করায় আদালত জেল গেটে ১ দিনের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নির্দেশ দেয়। আমাদের জানামতে সায়েম দেড় বছর আগে বিয়ে করে সংসার করছে। আমার ধারণা আদালতকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করছে অভিযুক্তের পরিবার। 

এব্যপারে কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরে আলম বেপারি বলেন, আমার স্বাক্ষরিত যে জন্ম নিবন্ধন আদালতে দাখিল করেছে সায়েমের পরিবার তা ভুয়া। ওই জন্ম নিবন্ধনের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। 


এইচকেআর
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

সর্বশেষ