ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • দু-এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সিইসি ও স্পিকারকে জামায়াতের চিঠি গৌরনদীতে শিক্ষার্থীর টিফিনের রুটিতে মিলল ব্লেড ব্রাজিলভক্ত ১৭ শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠালেন আর্জেন্টিনাভক্ত শিক্ষক এবার বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চসংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত বিএম কলেজে ছাত্রীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য শিক্ষকের, তদন্ত কমিটি গঠন বিসিসির লাইটম্যানদের মাঝে সাইকেল ও রেইনকোট বিতরণ লিওনেল মেসিকে বিশ্বকাপের সেরা ফুটবলার ঘোষণা আইএফএফএইচএসের এমপি গাজীর বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে কমিশন: ইসি সচিব ফের ধসে পড়ল পায়রা বন্দরের আবাসিক এলাকার সীমানা দেওয়াল
  • চরফ্যাশনে বেদে সম্প্রদায়ের মানবেতর জীবন-যাপন

    চরফ্যাশনে বেদে সম্প্রদায়ের মানবেতর জীবন-যাপন
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    মানবেতর জীবন-যাপন করছে চরফ্যাশনের বেদেপল্লির বেদেরা। জীবন সংগ্রামের চাকা সচল রাখার জন্য বাজারে বাজারে ও মানুষের বাড়ি বাড়ি ঘুরতে হয় বেদে সম্প্রদায়ের লোকজনকে। সিঙ্গা লাগানো, দাঁতের পোকা ফেলানো, বিষ-বেদনা অপসারণ ও সাপের খেলা দেখানো- এসব কাজেই এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে ঘুরে বেড়ায় বেদেরা।

    কিন্তু বর্তমানে বেদেদের এ কাজের তেমন একটা সাড়াশব্দ নেই। পরিবার-পরিজন নিয়ে খেয়ে না খেয়ে চলছে তাদের অসহায় জীবন-যাপন। আগের মতো দেখা যায় না মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সিঙ্গা লাগানো, সাপ খেলা দেখানো। দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে বেদে সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। দীর্ঘ দুই বছর করোনার থাবা বেদে সম্প্রদায়ের জীবনকে আরও পিছিয়ে  দিয়েছে।

    শুক্রবার উপজেলার শশীভূষণে পুরাতন স্টিল ব্রিজসংলগ্ন বালুর মাঠে গিয়ে দেখা যায় ভ্রাম্যমাণ বেদেপল্লিতে কঠিন জীবন পার করছেন বেদে সম্প্রদায়ের নারী, পুরুষ ও শিশুরা।

    ঝড়-বৃষ্টির মধ্যেও খোলা আকাশের নিচে পলিথিন ও বাঁশের চেড়া দিয়ে ঝুপড়ি ঘর তৈরি করে চলছে তাদের বসবাস। এখানকার ৫টি পরিবারের প্রায় ৩৫ জন সদস্য পার করছেন মানবেতর জীবন-যাপন।

    বেদেপল্লির মন্নান মিয়া জানান, বর্তমানে কোনো কাজকর্ম না থাকায় খেয়ে না খেয়ে আমরা এখন দিন পার করছি। মানুষের বাড়িতে গেলেই আজকাল তাড়িয়ে দেয়। আমাদের প্রতিদিন সিঙ্গা লাগানো, ঝাড়ফুঁক এবং বিভিন্ন ধরনের তাবিজ কবজ এবং সাপের খেলা দেখিয়ে যে টাকা আয় হতো সেই টাকা দিয়ে আমাদের সংসার চলতো। কিন্তু বর্তমানে কোনো কাজকর্ম করা যাচ্ছে না। মানুষের বাড়িতে গেলেও হয় না আগের মতো কাজ। এতো কষ্টে আছি যা বুঝানো যাবে না।

    বেদেপাড়ার মুকদাত জানান, এখন পর্যন্ত কারো কোনো সহযোগিতা পাইনি। মাঝে মধ্যে শিশুসহ পরিবার-পরিজন নিয়ে না খেয়েই থাকতে হয়। এভাবে আর কতদিন থাকা যায়। সরকার আমাদের মতো বেদেদের জন্য খাদ্য ও অর্থ সাহায্য করলে আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে অন্তত ডাল-ভাত খেয়ে বেঁচে থাকতে পারব।

    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল নোমান রাহুল বলেন, ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তালিকা করে তাদের সরকারি  ভাতার আওতায় আনা হবে।
     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ