ঢাকা বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • দ্বিতীয় স্ত্রী নাকি চাকরির সুপারিশ, ভাইরাল ভিডিও নিয়ে প্রশ্ন ছুড়লেন ডাকসু নেত্রী মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল, প্রিয়াঙ্কা ও অখিলেশ আটক পেশাজীবী দলের কেন্দ্রীয় নিবার্হী কমিটির সহ সভাপতি হলেন মিজানুর রহমান অহিদ  গৌরনদীতে মাদ্রাসার কক্ষে ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগে ডিসিদের ক্ষমতা বাতিল, ফিরলো আগের নিয়ম এবার মোদীর বাসভবন ঘিরে বিক্ষোভ, পদত্যাগ দাবি বরিশালে বনমালী গাঙ্গুলী ছাত্রী নিবাসে নৈশভোজ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  কিস্তির টাকা তুলতে গিয়ে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, এনজিওকর্মী পিরোজপুরের রাকিবুল আটক  কুয়াকাটায় ২০ কেজির সামুদ্রিক শোল বিক্রি ১৪ হাজার টাকায় মিত্রদের ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রীর, ৩১ দফা ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার
  • পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ২ ভাইয়ের যাবজ্জীবন 

    পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ২ ভাইয়ের যাবজ্জীবন 
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে মো. রফিকুল ইসলাম (১৩) নামে এক কিশোর হত্যা মামলায় আপন দুই ভাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে  তাদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পিরোজপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ এসএম নুরুল ইসলাম এ রায় দেন।  

    দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার দক্ষিণ কলারন গ্রামের মো. ফজলুল হকের ছেলে মো. হারুন ও আবুল কালাম ওরফে কালু। তাদের মধ্যে হারুন পলাতক।

    রায়ে মামলার অভিযুক্ত অন্য তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

    নিহত রফিকুল ইসলাম বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কোড়লিয়া গ্রামের মো. হালিম হোসেনের ছেলে। সে তাঁর মায়ের সঙ্গে পিরোজপুরের ইন্দুরাকানী উপজেলার দক্ষিণ কলারন গ্রামে মামা বাড়িতে থাকত। ওই হত্যার ঘটনায় নিহতের মামা মোদাচ্ছের আলী হাওলাদার বাদী হয়ে পাঁচজনের নামে হত্যা মামলাটি দায়ের করেছিলেন।  

    মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ২০০৬ সালের ৮ মার্চ  সকালে মো. রফিকুল ইসলাম ও তাঁর বড় ভাই  মো. রিয়াদুল খেজুর গাছের রস নামাতে য়ায়। রফিকুল একটি গাছের রস নামিয়ে নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার জন্য রওনা হয়। এরপর অনেকক্ষণ পার হলেও রফিকুল ফিরে  না আসায় রিয়াদুল রস নিয়ে বাড়ি চলে যায়। পরে সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় ফজলুল হক নামে এক জেলে মাছ ধরতে যাওয়ার সময় স্থানীয় নুর মোহাম্মাদ তহশিলদারের মিষ্টি আলুর ক্ষেতে ওই কিশোরের রক্তাক্ত মরদেহ দেখে তার মামাকে খবর দেন।    
    পরে এ ঘটনায় মামলা করেন রফিকের মামা।  

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি অ্যাডভোকেট মো. জহুরুল ইসলাম জানান, সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় দুই সহোদরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন বিচারক। অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তিনজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।  


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ