ঢাকা সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জনের মধ্যেই ইশরাকের বার্তা দুই শিশুকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা, দেয়ালে লেখা ছিল ‘এই গল্প শেষ’ নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও মন্দির পরিদর্শন করলেন বিসিসি প্রশাসক  ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কাউনিয়া বালিকা ফাজিল মডেল মাদরাসায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন ভোলায় বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম, গণপিটুনির পর যুবকের মৃত্যু দুর্নীতির মামলায় বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান কাতারে গ্রেফতার শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বন্ধ ও ৭ দফা দাবিতে পদ্মা ব্লোয়িংয়ে গেট মিটিং সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় রাজাপুরের আনোয়ার হোসেনের মৃত্যু বরিশালে চার ঘন্টার অভিযানে ১৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ
  • পিরোজপুরে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

    পিরোজপুরে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    পিরোজপুরে এক প্রসূতির সিজারিয়ান অপারেশনের সময় পেটের অংশ বেশি কেটে গর্ভে ফুলের অংশ রেখে সেলাই করার অভিযোগে এক চিকিৎসক ও ক্লিনিক ম্যানেজারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ আগস্ট) দুপুরে পিরোজপুরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা করা হয়েছে।

    আদালতের বিচারক মো. ইকবাল মাসুদ এই বিষয়ে পিরোজপুর সিআইডিকে তদন্তের আদেশ দেন। একইসঙ্গে পিরোজপুরের সিভিল সার্জনকে মেডিক্যাল বোর্ড বসিয়ে ভুক্তভোগীর মতামত নেওয়ার জন্যও আদেশ দেওয়া হয়েছে।

    ভুক্তভোগী মনিরা বেগম (২২) পিরোজপুর শহরতলীর আলামকাঠী এলাকার দিনমজুর জসিম খানের স্ত্রী। গুরুতর অসুস্থ ওই নারী বর্তমানে খুলনার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অভিযুক্তরা হলেন- আইডিয়াল ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোমের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. শিকদার মাহমুদ ও একই ক্লিনিকের ম্যানেজার সঞ্জয় মিস্ত্রি।

    বাদীর আইনজীবী  আবু সালেহ মো. ওমান জানান, পিরোজপুর শহরের আলামকাঠী এলাকার জসিম খান তার প্রসূতি স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ডা. শিকদার মাহমুদের কাছে নিলে আইডিয়াল ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোমে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন। গত ৮ জুলাই সেখানে ডা. শিকদার মাহমুদের তত্ত্বাবধায়নে প্রসূতিকে ভর্তি করা হলে ক্লিনিকের ম্যানেজার সঞ্জয় মিস্ত্রির চাপে দুপুরেই অস্ত্রোপচার করা হয়। শিকদার মাহমুদ সিজার করেন। সিজারের সময়ে প্রসূতি মনিরা বেগমের পেট প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কেটে ফেলেন ও নবজাতকের নাভির অংশ কেটে তা বাঁধেননি। এ ছাড়া প্রসূতি নারীর গর্ভের ফুলের অংশ পেটের ভেতরে রেখে অপরিষ্কার অবস্থায় পেট সেলাই করে চলে যান।

    আইনজীবী আরও বলেন, এরপর মনিরা বেগমকে বাড়ি নিয়ে গেলে কয়েকদিন পরই তার প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। তখন একই চিকিৎসককে বিষয়টি জানালে তিনি রোগীকে কোনও চিকিৎসা না দিয়েই পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে নিয়ে ভর্তির পরামর্শ দেন। রোগীকে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তার অবস্থা আরও গুরুতর হওয়ায় তখন খুলনার একটি হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। খুলনার চিকিৎসকরা রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে পরীক্ষা করে দেখতে পান, গর্ভের ফুলের অংশ পেটের ভেতরে রেখে অপরিষ্কার অবস্থায় পেট সেলাই করা হয়েছে।


    এএজে
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ