ঢাকা শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • দিল্লিতে পতাকা মিছিলের আগে আটক সিজেপির অভিজিৎ দীপকে ‘চাঁদাবাজির প্রশ্নে যদি কোনো সমস্যা থাকে, হয় আপনি থাকবেন না হয় চাঁদাবাজ থাকবে’ গৌরনদীতে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় কাতার প্রবাসী নিহত দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা ডিউটিতে নিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের ব্রিফিং প্যারেড  বরিশালে গার্ডিয়ান লাইফের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বরিশালে সাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে পৌনে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ ঢাবির সিনেট নির্বাচন: বরিশালে স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান ববি উপাচার্য বরিশালে রাতে হাতেম আলী কলেজে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত অধ্যক্ষ বরিশালে বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি এখন প্লট বাণিজ্য! বরিশালে শংকর মাঠ পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার
  • এক সপ্তাহ ধরে চলছে ভোলার মেঘনায় তীব্র ভাঙন

    এক সপ্তাহ ধরে চলছে ভোলার মেঘনায় তীব্র ভাঙন
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    উজান থেকে নেমে আসা পানির তোড়ে ভোলার মেঘনায় ফের ভাঙন বেড়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে তীব্র ভাঙন চলছে।

    ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে মেঘনার পাড়ের মানুষ। এখন ভাঙনের মুখে দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুটি মসজিদ, একটি মাছের আড়তসহ প্রায় দুই শতাধিক ঘড়বাড়ি। সোমবার (২৭ জুন) ভোলা সদরের রাজাপুর ইউনিয়নের জোরখাল থেকে চর মোহাম্মদ আলী পর্যন্ত সাড়ে তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এ ভাঙন চলছে। হঠাৎ করেই এ ভাঙন বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে নদীর পাড়ের মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, গত এক বছর ধরে এমন ভাঙন চললেও কার্যকরী কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেয়নি ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। তবে পাউবো বলছে, ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার পর মেঘনায় ভাঙন শুরু হলেও গত চারদিন ধরে তীব্র ভাঙন চলছে। এরই মধ্যে বিলীন হয়ে গেছে অর্ধশতাধিক মিটার এলাকা। এখন বিস্তীর্ণ এলাকা ভাঙনের মুখে। স্থানীয় বাসিন্দা রানা বলেন, ভাঙনের তীব্রতা বেড়ে গেছে। এজন্য বেশ মানুষ আতঙ্কিত। তবে ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

    এদিকে ভাঙন থেকে রক্ষায় এরই মধ্যে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। এ ব্যাপারে ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানান, উজানের পানির চাপে ভাঙন ৬শ মিটার দৈর্ঘের এলাকা দিয়ে বেড়েছে, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সেখানে আমরা আপাতত ২শ মিটার এলাকা দিয়ে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ডাম্পিং করে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছি। এছাড়াও সাড়ে চার কিলোমিটার এলাকায় সিসি ব্লকের মাধ্যমে স্থায়ী পদক্ষেপ নিতে ৪শ কোটি টাকার একটি প্রকটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, সেটি পাস হলে কাজ শুরু হবে।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ