আগৈলঝাড়ায় সেতুর রেলিং ভেঙ্গে চলাচলে দুর্ভোগ

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় একটি সেতুর রেলিং ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে শতশত কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী। উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের কালুপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ আলী আকনের বাড়ি সংলগ্ন খালের উপর নির্মিত সেতুটি দীর্ঘ ছয় বছর যাবত জরাজীর্ণ অবস্থায় পরে রয়েছে।
সেতুর একপাশের তৈরি রেলিং ধসে যাওয়ায় এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, যেকোনো মুহূর্তে এটি ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
ঝুঁকিপূর্ণ বিধ্বস্ত এই সেতুটি বিকলাবস্থার কারনে চলাচলের একদম অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে গৈলা শিশু কল্যান প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরকারি গৈলা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গৈলা দাখিল মাদ্রাসার শতশত কোমলমতি শিক্ষার্থী ও মসজিদের মুসুল্লিরা। বিকল্প কোন যাতায়াত পথ না থাকায়, মরণফাঁদ জেনেও পার হচ্ছেন গ্রামবাসীসহ কোমলমতি শিশু-বৃদ্ধরা।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, সেতুর রেলিং ধসে যাওয়ায় এই সেতুর উপর দিয়ে চলাচল করছে অনেক ঝুঁকি নিয়ে। প্রতিদিনই সেতু পার হতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন এলাকাবাসী।
সেতুটির বেহাল দশার কারনে রেলিং ধসে পড়ায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের তেমন কোনো তৎপরতা না থাকায় স্থানীয় এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কিন্তু যোগাযোগের তাগিদে প্রতিনিয়ত সেতু দিয়ে এলাকার মানুষ ও শিক্ষার্থীরা চলাচল করছে।
শিশুরা ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। বর্তমানে সেতুটির অবস্থা খুবই করুণ। যে কোনো সময় ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হতে পারেন পথচারীসহ শিক্ষার্থীরা। বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী ও মসজিদের মুসল্লিদের চলাচলের একমাত্র সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন অভিভাবকসহ স্থানীয়রা।
সেতুটির লোহার খুঁটি, রেলিং এবং ঢালাই ভেঙে যাওয়ায় স্থানীয় মানুষ মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে এটি পারাপার হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সরদার রেজাউল করিম জানান, সেতুটিতে মানুষ উঠলে সবসময় আতংকে থাকে। সেতুটি যাতে দ্রæত মেরামত করা হয় সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবী জানাই।
স্থানীয় শিক্ষার্থী সজল মোল্লা জানান, সেতুর উপর দিয়ে চলাচলে সবসময় ভয়ে থাকি। সেতুটি দ্রæত সংস্কার করার জন্য দাবী জানাই।
উপজেলা প্রকৌশলী শিপলু কর্মকার বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটির অবস্থা খুবই বেহাল। অচিরেই এ সমস্যার সমাধান করা হবে। যাতে করে সেতুটি সংস্কার হলে এই এলাকার মানুষসহ আশপাশের অনেক গ্রামের মানুষ উপকৃত হবে।
এমইউআর