ঢাকা শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

Motobad news

জমি নিয়ে বিরোধে ব্যবসায়ীকে মারধর, আটক ১ 

জমি নিয়ে বিরোধে ব্যবসায়ীকে মারধর, আটক ১ 
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে লুন্ঠিত গাছ বিক্রিতে বাঁধা দেয়ায় এক আবাসন ব্যবসায়ীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত ব্যবসায়ী সফিকুলের অবস্থা আংশঙ্খা জনক। তার হার্টে রিং বসানো হয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি বরিশাল নগরীর রুইয়ার পোল এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। 

এদিকে হামলার ঘটনায় সফিকুল ইসলাম খান বাদী হয়ে নামধারী ৬ জনকে আসামী করে ৮ মার্চ বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদালতে একটি নালিশি মামলা দায়ের করেন। বিচারক পলি আফরোজ মামলাটি আমলে নিয়ে বিমান বন্দর থানার ওসিকে এজারভুক্ত করার নির্দেশ দেন। পুলিশ ঐ মামলায় এ আসামীকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে। 

আটকৃত আসামী হল, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন কর্নকাঠি এলাকার বাসিন্দা মৃত আক্রাম আলী খানের ছেলে ইসুফ আলী খান লাল। অন্যান্য আসামীরা হল, নাসির উদ্দিন খান নসা, হুমায়ুন কবির খান, ফয়সাল চৌধুরি,জুলফিকার আলী জুলু, হেমায়েত উদ্দিন শরীফসহ অজ্ঞাত আরো ১২/১৩ জন রয়েছে। পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, সফিকুল ইসলামের বাবা মৃত ফয়জুল হক খান নিজ বাড়ির পাশে মেহগনি গাছের বাগান বানায়। পরবর্তিতে গাছ বড় হওয়ায় নাসির উদ্দিন খান নসাসহ অন্যানরা গাছ কেটে নেয়ার পায়তারা চালাতে থাকে। এর ধারাবাহিকতায় গত ১১ জানুয়ারি সকাল ১১ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত ১২/১৩ জন সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে ঐ বাগানে প্রবেশ পূর্বক সকল গাছ কেটে লুট করে তারা।  

পরে কাটা গাছগুলো ট্রাক ও ভ্যানযোগে নগরীর রুইয়ার পোল এলাকার একটি স্ব- মিলে বিক্রির উদ্দেশ্য নিয়ে আসে। সফিকুল ইসলাম জানতে পেরে গাছ বিক্রিতে বাধা প্রদান করেন। এসময় আসামীরা সফিকুল ইসলামকে বেধম মারধর করে। এতে গুরুতর জখম হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্বার করে শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সফিকুল ইসলামকে সি সি ইউ বিভাগে ভর্তি দেন। পরে অবস্থার অবনতী হলে তাকে ঢাকায় রেফার করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার হার্টে তিনটি রিং বসানো হয়েছে।  

ভূক্তভোগী আবাসন ব্যবসায়ী সফিকুল ইসলাম খান বলেন, আসামীরা বাগান থেকে বড় ও মাঝারী সাইজের ২০/৩০টি গাছ এবং অন্যান্য মালামালসহ প্রায় ৫ লাখ ৩১ হাজার ৩শ টাকার ক্ষতি সাধিত করেছে। তিনি আরো বলেন, আসামীরা পরিকল্পিতভাবে আমার ওপর হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায়  গুরুতর অসুস্থত, হার্টে বসানো হয়েছে তিনটি রিং। এরপরেও থেমে থাকেনি, মামলা করায় ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিনিয়ত প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে আসছে। তাদের হুমকি-ধামকিতে আমি পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি। 

এ বিষয় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বিমান বন্দর থানার ওসি (অপারেশন) শেখ ফরিদ উদ্দিন বলেন, মামলায় এক আসামীকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আসামীদের আটকে চেষ্টা অব্যহত রয়েছে। 
 


এইচকেআর
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন